বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ছবির কপিরাইট AFP
Image caption প্রতি বছর ১৫ই আগস্ট খালেদা জিয়া জন্মদিন পালন করেন এবং একই দিন শোক দিবস হওয়ায় এ জন্মদিন পালন নিয়ে বিতর্ক আছে।

বাংলাদেশের অন্যতম একটি রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের দিন ১৫ই অগাস্টে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন বন্ধের নালিশী মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

বাদীপক্ষের আইনজীবী দুলাল মিত্র বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, ওই মামলায় আদালতের সমনে খালেদা জিয়া হাজির না হওয়ায় ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম এই গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

মি: মিত্র জানিয়েছেন, তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আজ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির এই আদেশ দেন।

দুলাল মিত্র আরও জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল করে প্রতিবেদনের জন্য আগামী ২রা মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

চলতি বছরের ৩০শে অগাস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নালিশি মামলা করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে খালেদা জিয়াকে ১৭ই অক্টোবর হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

আইনজীবী দুলাল মিত্র জানান, খালেদা জিয়া সেদিন আদালতে না যাওয়ায় বাদীপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "১৯৯৬ সালের ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া জন্মদিনের ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তা পালন করছেন খালেদা জিয়া। উদ্দেশ্যমূলকভাবে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে এই জন্মদিন পালন করে আসছেন খালেদা জিয়া"।

উল্লেখ্য জাতীয় শোক দিবসে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করার বিষয়টা নিয়ে বিতর্ক হয়ে আসছে।

যদিও চলতি বছর জন্মদিনের অনুষ্ঠান করেননি খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার জন্মদিনের বিতর্কের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল বিবিসিকে বলেছিলেন "১৯৯১ সালে বিএনপির চেয়ারপারসনের যে পরিচয়পত্র দেখা গেছে সেখানে এই নেত্রীর জন্ম ১৯৪৬ সালের ২১শে আগস্ট হিসেবে উল্লেখ করা আছে"।

সম্পর্কিত বিষয়