সিরিয়ার সরকারের ওপর অবরোধ প্রশ্নে রাশিয়া, চীনের ভেটো

সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা দুবার দেশটির বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ক্লোরিন গ্যাস হামলা চালিয়েছে। ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা দুবার দেশটির বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ক্লোরিন গ্যাস হামলা চালিয়েছে।

সিরিয়াতে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় রাসায়নিক অস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগে বাশার আল আসাদ সরকারের উপর নতুন করে অবোরোধ আরোপের সিদ্ধান্তে ভোট হলে রাশিয়া ও চীন ভেটো দেয়।

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন সহ অন্যরা এই অভিযোগের শাস্তি হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদে অবরোধের প্রস্তাব তুলেছিল।

সিরিয়ার সরকারের ওপর জাতিসংঘের অবরোধের প্রশ্নে এ নিয়ে সাতবার ভেটো দিয়েছে বাশার আল আসাদ সরকারের মিত্র দেশ রাশিয়া। আর চীন ভেটো দিয়েছে ছয়বার।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলছেন, এখন এমন অবোরোধ আরোপ করা হলে জেনিভাতে যে শান্তি আলোচনা চলছে সেটি হুমকির মুখে পড়বে।

মি পুতিন বলেছেন, সিরিয়ার ওপরে নতুন করে যেকোনো অবরোধের চেষ্টার বিরোধিতা করবে রাশিয়া।

সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ২০১৪ ও ১৫ সালে দুবার দেশটির বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তারা ক্লোরিন গ্যাস হামলা চালিয়েছে।

ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption রাশিয়া বলছে অবোরোধ আরোপ করা হলে জেনিভা শান্তি আলোচনা হুমকির মুখে পড়বে।

যদিও আসাদ সরকার তা অস্বীকার করে।

জাতিসংঘে চীনের প্রতিনিধি লিউ জিয়েই বলছেন, সিরিয়ার সরকারের ওপর অবরোধের সময় এখন নয়।

তিনি বলছেন, সিরিয়ার সরকার আদৌ রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে কিনা সেটির ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

সেনিয়ে প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। অতএব এ বিষয়ে একটি অবরোধের দিকে এগুনো এখনি ঠিক হবে না।

নিরাপত্তা পরিষদে অবরোধের প্রস্তাব তোলা যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন সহ অন্যান্য কয়েকটি দেশ রাশিয়া ও চীনের ভেটো দেয়াকে কড়া সমালোচনা করেছে।

জাতিসংঘে মার্কিন দূত নিকি হেইলি এখানে বলেছেন, রাশিয়া ও চীন যে সিদ্ধান্ত নিলো তা ভয়ানক গর্হিত একটি কাজ হয়েছে যা একেবারেই সমর্থন করা যায়না।

তিনি আরো বলেছেন, এতে করে সিরিয়ার সরকারের হামলার শিকার নিরীহ মানুষগুলোর প্রতি অবিচার করা হলো।