ইদলিবে রাসায়নিক বোমা বিদ্রোহীদের : রাশিয়া

  • ৫ এপ্রিল ২০১৭
ছবির কপিরাইট EPA
Image caption বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত এক শিশু

বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব প্রদেশে খান শেইখুন শহরে মঙ্গলবার বিষাক্ত গ্যাসের বিস্ফোরণ এবং তাতে প্রায় ৬০ জনের মৃত্যু নিয়ে নিয়ে তুমুল হৈচৈ শুরু হয়েছে।

আমেরিকা এবং পশ্চিমা দেশগুলো বাশার আল আসাদের সরকারকে দায়ী করছে এবং বলছে চরম যুদ্ধাপরাধ হয়েছে। ফ্রান্সের ডাকে আজ (বুধবার) নিরাপত্তা পরিষদে জরুরী বৈঠক হচ্ছে।

কিন্তু রুশ সরকার আজ (বুধবার) বলেছে বিষাক্ত গ্যাস ভর্তি ঐ অস্ত্র বিদ্রোহীরা তৈরি করছিল।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, বিষাক্ত গ্যাস ভর্তি মাইন প্রস্তুত করা হয় এমন একটি ডিপোতে সিরিয়ার যুদ্ধবিমান হামলা চালালে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে।

ইউ টিউবে প্রচারিত এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনোশেনকভ বলেন - "গতকাল (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে খান শেইখুনের শহরতলীতে সন্ত্রাসীদের একটি অস্ত্র ডিপোতে সিরিয় বিমান হামলা চালায়। ঐ ডিপোতে রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি হতো।"

রুশ ঐ মুখপাত্র বলেন একই ধরণের রাসায়নিক অস্ত্র বিদ্রোহীরা গত বছর আলেপ্পোতে ব্যবহার করেছে।

ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption বিস্ফোরণের পর উদ্ধার তৎপরতা

সিরিয়ার সরকারও রাসায়নিক বোমা ব্যবহারের কথা জোর দিয়ে অস্বীকার করেছে।

স্থানীয় সাংবাদিকরা বলেছেন, খান শেইখুন শহরের মধ্যে সামরিক কোনে স্থাপনা নেই, তবে যেখানে এই বিস্ফোরণ হয়েছে সেই এলাকা ব্রিদোহী গোষ্ঠীগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।

একজন বিদাহী কমান্ডার রুশ এই বিবৃতিকে "মিথ্যা" বলে বর্ণনা করেছেন। ফ্রি ইদলিব আর্মি নামে একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ঐ কমান্ডার হাসান হজ আর রয়টার্সকে বলেছেন, "সবাই দেখেছেন বিমান থেকে গ্যাস-বোমা ছোড়া হয়েছে।"

ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, "যে সব প্রমাণ তিনি দেখেছেন তাতে বলাই যায় এই রাসায়নিক হামলার জন্য আসাদ দায়ী। "