কড়া নিরাপত্তায় শেষদিনের প্রচারণা চলছে ব্রিটেনে

লেবার নেতা জেরেমি করবিন (বামে) এবং প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে। ছবির কপিরাইট Handout
Image caption লেবার নেতা জেরেমি করবিন (বামে) এবং প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে।

লন্ডন ও ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে কড়া নিরাপত্তার মাঝে শেষদিনের প্রচারণা চলছে ব্রিটেনে।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, নির্বাচিত হলে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় মানবাধিকার আইন পরিবর্তন করবেন তিনি। তবে লেবার পার্টির বক্তব্য এমন কোনও বার্তা আমরা দিতে চাই না

বিদেশী সন্ত্রাসী হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার এবং বর্তমান হুমকি হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের স্বাধীনতা ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ আনবেন তিনি ।

তবে লেবার পার্টির বক্তব্য এমন কোনও বার্তা আমরা দিতে চাই না।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলার ক্ষেত্রে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাজকে বাধাগ্রস্ত করে মানবাধিকার বিষয়ক এমন যেকোনো ধরনের আইনের পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত আছে তার সরকার।

লন্ডনে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তার এই নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল।

ছবির কপিরাইট OLI SCARFF
Image caption টাওয়ার হ্যামলেটসের হোয়াইটচ্যাপেল এলাকায় বহু জাতিসত্তার বাস।

তিনি বলেন, যদি মানবাধিকার আইন আমাদের কাজে বাধা হয়ে দাড়ায় তাহলে আমরা আমাদের আইন বদলে ফেলবো।

তিনি আরো বলেছেন "যখন আমরা হুমকির মুখে তখন যেকোনো পরিবর্তনই জটিল হয়ে দাড়ায়। আমরা নিশ্চিত করতে চাই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দাদের হাতে যেন যথেষ্ট ক্ষমতা থাকে"।

অর্থাৎ রক্ষণশীলরা বলছে, যদি মিসেস মে পুনরায় নির্বাচিত হন তাহলে তার সরকার ইউরোপীয় মানবাধিকার আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো বাদ দিতে প্রস্তুত ।

নিজের একটি চূড়ান্ত নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে মিসেস মে বলেন তিনি সন্দেহভাজনদের স্বাধীনতা সীমিত করা এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি আরো সহজ করতে চান।

লন্ডনে সর্বশেষ হামলার পরে মিসেস মে বলেছিলেন , সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবর্তন জরুরি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি যদিও সুনির্দিষ্টভাবে নতুন কোনও নীতি-প্রস্তাব তুলে ধরেননি ।

অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করায় টোরি পার্টির সমালোচনা করেছে।

এই বক্ত্যব্যের পর লেবার পার্টির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমন কোনও বার্তা সমাজের কাছে কিংবা সন্ত্রাসীদের কাছে পৌঁছাতে চান না তারা।

আর লিবারেল ডেমোক্র্যাট দল বলছে, এর ফলে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস নয় বরং মানুষের স্বাধীনতাই হ্রাস করতে চাইছেন।

আরো পড়ুন:কাতার কি বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাবে?

স্বাস্থ্যের জন্য বিয়ে কতটা ভাল?

জার্মানিতে স্থায়ী বসবাসের জন্য ‘ভুয়া পিতা’ কেলেঙ্কারি