BBC Bangla

মূলপাতা > খবর

নাফিস কনস্যুলার অ্যাকসেস চায়নি : মোজেনা

Facebook Twitter Google+
17 নভেম্বর 2012 22:21

মীর সাব্বির

বিবিসি বাংলা, ঢাকা

bangla_qazi_nafis

নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ভবনে বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটক বাংলাদেশী তরুণ কাজী আহসানুল হক নাফিসকে কনস্যুলারের অ্যাকসেসের প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মোজেনা।

ঢাকার কাছেই সাভারে পক্ষাঘাতগ্রস্থতদের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র সিআরপি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মি মোজেনা।

তবে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্যে বিস্মিত কাজী নাফিসের পরিবার। তারা বলছেন, তাদের ধারণা আদালত নিয়োজিত আইনজীবীর পরামর্শেই মি নাফিস কনস্যুলারের অ্যাকসেস প্রত্যাখ্যান করে থাকতে পারেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মোজেনা বলেন, আটক হবার পর পরই কাজী নাফিসকে কনস্যুলার সহায়তা দেয়ার কথা বলা হয়েছিলো। কিন্তু মি. নাফিস তা প্রত্যাখ্যান করেন।

মি মোজেনা জানান, ‘তাকে তৎক্ষণাৎ কনস্যুলারের অ্যাকসেস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হয়তো নিজস্ব কোনও কারণের জন্য তিনি সেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেননি।’

কাজী নাফিস যে বাংলাদেশী নাগরিক – সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ওই তরুণের সঙ্গে আলাদাভাবে দেখা করার সুযোগ চাওয়া হয়, কূটনীতির পরিভাষায় যাকে বলে কনস্যুলার অ্যাকসেস।

বাংলাদেশ সরকার থেকেও বলা হয়েছিল, কনস্যুলারের অ্যাকসেস পাওয়ার পর তারা কাজী নাফিসের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারবেন।

কিন্তু ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে এর আগে বলা হয়েছিল, মি. নাফিস কনস্যুলার অ্যাকসেসের বিষয়ে তার অনাগ্রহের কথা জানিয়েছেন। এবার বিষয়টি জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মি. মোজেনাও।

কাজী নাফিসের বাবা কাজী আহসানুল্লাহ অবশ্য বলছেন, কেন কাজী নাফিস কনস্যুলার এক্সেস প্রত্যাখ্যান করেছেন তা তারা বুঝতে পারছেন না।

তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশ সরকার থেকে এধরনের কিছু আমাদের জানানো হয়নি। আমরা যতদূর জানি, তারা চেষ্টা করছে কিন্তু কনস্যুলারের অ্যাকসেস পাচ্ছে না।’

তবে মি আহসানুল্লাহ আরও বলেন, এ বিষয়ে তারা মার্কিন আদালত থেকে নিযুক্ত কাজী নাফিসের আইনজীবীর সাথে ই-মেইলে যোগাযোগ করেছেন।

সেই আইনজীবী তাদেরকে জানিয়েছেন, মামলার ব্যাপারে কারো সাথে কথা না বলার জন্য তিনি মি নাফিসকে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

মি আহসানুল্লাহ বলছেন, এখন বিচার শুরু হয়ে যাবার পর তারা বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার আশা করছেন।

এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল যে, তারা কাজী নাফিসের সাথে দেখা করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে কনস্যুলারের অ্যাকসেস না-পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের এ মামলার সাথে সম্পৃক্ত হবার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বুকমার্ক করুন

Email Facebook Google+ Twitter
রিফ্রেশ