মাঠে ময়দানে

১৩ জুলাই ২০১৩ শেষবার আপডেট করা হয়েছে ২০:১৭ বাংলাদেশ সময় ১৪:১৭ GMT

ধোনি কেন সেরা ফিনিশার?

ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনেকদিন ধরেই ক্রিকেট পন্ডিতরা ওয়ান-ডে ক্রিকেটে সেরা ফিনিশারের মর্যাদা দিয়ে আসছেন।

মহেন্দ্র সিং ধোনি

আর গত বৃহস্পতিবার তিনি সেই সুনামের মর্যাদা রাখলেন আরও একবার, পোর্ট অব স্পেনে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে প্রায় একার হাতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দিয়ে।

অসম্ভব কঠিন উইকেটে, শেষ ওভারে জেতার জন্য ভারতের দরকার ছিল পনেরো – খেলছে শেষ উইকেট জুটি – এমন অবস্থায় শামিন্ডা এরাঙ্গার তিনটে বলে পরপর ছয়, চার আর ছয় মেরে ফাইনালটা দলকে জিতিয়ে দিলেন ধোনি। আর এই নিয়ে যে কতবার, তার লেখাজোখা নেই।

ওয়ান-ডেতে সোয়া দুশোর ওপর ম্যাচ খেলে ৫১-র ওপর অ্যাভারেজ রাখা ধোনি কীভাবে এত ভাল ফিনিশ করতে পারেন? শুনবেন এ নিয়ে ভারতের জাতীয় দলের সাবেক উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান দীপ দাশগুপ্তর সাক্ষাৎকার।

ডিউকস বলের উপাখ্যান

ইংল্যান্ডের মাটিতে এখন যে অ্যাশেজ সিরিজের লড়াই চলছে, সেখানে টেস্ট ম্যাচগুলোতে খেলা হচ্ছে বিখ্যাত ডিউকস বল দিয়ে।

সেই ১৭৬০ সাল থেকে লন্ডনের একটি কোম্পানি ক্রিকেটের জন্য এই ডিউকস বল বানিয়ে আসছে – আর আড়াইশো বছরেরও বেশি পুরনো এই প্রতিষ্ঠানের এখনকার মালিক হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দিলীপ জাজোদিয়া।

কিশোর বয়সে পকেটে মাত্র পাঁচ পাউন্ড নিয়ে বিলেতের মাটিতে পা রেখেছিলেন তিনি। সেই কিশোরই একদিন কিনে নিলেন ঐতিহ্যবাহী এই ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানটি – পূর্ব লন্ডনের কারখানায় যারা আজও বছরে এক লক্ষরও বেশি ক্রিকেট বল বানিয়ে চলেছে।

ডিউকস বল

আজও এই ইংল্যান্ডে সব প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট ম্যাচ খেলা হয় এখানে তৈরি ডিউকস বল দিয়েই।

একটা ক্রিকেট বল তৈরি করতে ডিউকসের একজন কর্মীর গড়ে সাড়ে তিন ঘন্টা সময় লাগে। দিলীপ জাজোদিয়া বলছিলেন, বলের ভেতরের কর্ক থেকে বাইরের সেলাই বা সিম – পুরো কাজটাই করা হয় হাতে।

তবে তিনি পাশাপাশি অক্ষেপ করছেন, ক্রিকেট বল বানানোর দক্ষ কারিগররা ইংল্যান্ড থেকে লোপ পেয়েছেন – কাজেই তাদের এখন ভরসা করতে হচ্ছে পাকিস্তানের ওপর।

কিন্তু ডিউকস বলের কোন বিশেষত্বর জন্য এটা আলাদা? ইংল্যান্ড সিমার জেমস অ্যান্ডারসনের সহজ উত্তর – এই বলগুলো ভাল সুইং করে।

নতুন বল যখন সুইং করে, তখন বিশ্বের যে কোনও ব্যাটিং রাইন আপকেই সেটা সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। আর সে কারণেই ডিউকস বলের এত কদর ইংল্যান্ডে, যা আজও সুইং বোলিংয়ের স্বর্গ বলে পরিচিত!

কক্সবাজারের টিটোয়েন্টি স্টেডিয়াম

আগামী বছরের মার্চে বাংলাদেশে যে টোয়েন্টি টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ হওয়ার কথা আছে, তার একটা বড় কেন্দ্র হবে কক্সবাজার।

কক্সবাজারের সৈকত (ফাইল ছবি)

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের ধারে টিটোয়েন্টির ধুন্ধুমার ক্রিকেট বিনোদন – শুনতে ভীষণ আকর্ষণীয় হলেও এত কম সময়ের মধ্যে বাস্তবে সেটা করে দেখানো যে কত কঠিন, তা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট কর্মকর্তারা।

আইসিসি-কে যদিও তারা কথা দিয়েছেন, যথাসময়েই সব প্রস্তুতি সেরে ফেলা হবে – আসলে কক্সবাজারের স্টেডিয়ামের কাজ ঠিক কতদূর এগিয়েছে?

কক্সবাজারে সমুদ্রের ধার ঘেঁষে যেখানে স্টেডিয়ামটি হওয়ার কথা – শুক্রবার বিকেলে সেখানে সরেজমিনে কাজের অগ্রগতি দেখতে গিয়েছিলেন স্থানীয় সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ, অনুষ্ঠানে থাকবে তাঁর সাক্ষাৎকার।

স্টেডিয়ামের এখন যা হাল - হয়তো গ্যালারিতে ঘেরা স্টেডিয়ামে বসে নয় – কিন্তু আশা করা যেতেই পারে, অনেকটা বিচ ক্রিকেটের মতোই বিশ্বকাপে কোনও অভিনব উন্মুক্ত বিনোদনের স্বাদ পাবেন কক্সবাজারের দর্শকরা!

এ সপ্তাহের মাঠে-ময়দানে পরিবেশন করেছেন শুভজ্যোতি ঘোষ