মাঠে ময়দানে

৯ নভেম্বর ২০১৩ শেষবার আপডেট করা হয়েছে ১৭:৫০ বাংলাদেশ সময় ১১:৫০ GMT

ক্রিকেটে তার ২৪ বছরের কেরিয়ারের ইতি টানছেন সাচিন তেন্ডুলকার এ সপ্তাহেই।

মুম্বাইতে বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটিতে শেষবারের মত মাঠে নামছেন সাচিন। ম্যাচটি পাঁচদিন গড়ালে এ মাসের ১৮ তারিখের পর ব্যাট হাতে আর তাকে মাঠে দেখা যাবে না।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯৮৯ তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ম্যাচে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল সাচিনের।

Image caption ইডেন গার্ডেনসে সাচিনের শেষ ম্যাচের পর অভিনন্দন জানাচ্ছেন সৌরভ।

তারপর গত ২৪ বছরে হয়ে উঠেছেন কিংবদন্তির একজন ক্রিকেটার।

ক্রিকেট রেকর্ডের খাতায় অনেকগুলো কলামের শীর্ষে ভারতের এই ব্যাটসম্যান। টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান, একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি, ৫১টি। ওডিআইতে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি, ৪৯টি।

সাচিন বিহীন ভারতীয় ক্রিকেট কেমন হবে? এ প্রশ্নে বিবিসির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মিহির বোস বলেন, ভারতীয় ক্রিকেটের হয়ত তাতে কোন ক্ষতি হবে না তবে ক্রিকেট থেকে অসামান্য, ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তিত্বের বিদায় হচ্ছে।

"ভারতের রাজনীতিতে যেমন গান্ধী বা নেহেরুকে যে মর্যাদায় দেখা হয়, ক্রিকেটে সাচিনের উচ্চতা ততটাই।"

বিবিসি বাংলাকে মিহির বোস বলেন, ডন ব্রাডম্যান বা গ্যারি সোবার্সের মতই সাচিনও ক্রিকেটের অবিসংবাদী একজন কিংবদন্তি হয়ে রইবেন এ নিয়ে তার কোন সন্দেহ নেই।

ইংলিশ ফুটবলে এশীয়রা নেই কেন?

Image caption পূর্ব লন্ডনে এশীয় কিশোরদের ফুটবল প্রশিক্ষণ। (ছবি: বিএফএ ইউকে)

ব্রিটেনে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য চাকরি বাকরিতে এশীয়দের অর্থাৎ ভারতীয় উপমহাদেশে থেকে আসা অভিবাসীরা সাফল্য দেখালেও, ক্রিকেট ছাড়া খেলাধুলোর জগতে তারা কার্যত অনুপস্থিত।

পেশাদার ফুটবলে যেখানে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী শক্তভাবে তাদের জায়গা করে নিয়েছে, সেখানে এশীয়রা এখনও পার্কের ফুটবলের মধ্যেই আটকা পড়ে আছে।

ইংলিশ প্রিমিয়ারশিপ ফুটবলে এ মুহূর্তে মাত্র তিনজন ফুটবলার রয়েছেন যারা দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত। বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে ইংল্যান্ডের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএ।

কিভাবে পেশাদারি ফুটবলে এশীয়দের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো যায় তা নিয়ে আগামী মাসে একটি পরিকল্পনা এফএ'র কাছ থেকে আসতে পারে।

কেন ইংল্যান্ডের এশীয় বংশোদ্ভূতরা মূল ধারার ফুটবলে ঢুকতে পারছে না এ নিয়ে বিবিসি বাংলার সাথে কথা বলেছেন পূর্ব লন্ডনে বাংলাদেশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইউকে (বিএফএ ইউকে)নামে একটি সংগঠনের কজন।

গত ১৭ বছর ধরে স্থানীয় শিশু কিশোরদের, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, ফুটবলে আগ্রহ তৈরি করতে কাজ করছে এই সংগঠনটি।

প্রতিভাবান শিশু কিশোররা যাতে পেশাদারি ফুটবলে ঢোকার সুযোগ পায়, সক্ষমতা অর্জন করতে পারে সে জন্য প্রশিক্ষণ ছাড়াও স্থানীয়ভাবে ফুটবল লীগের আয়োজন করে বেসরকারি এই সংস্থাটি।

কেন এশীয় এদেশের পেশাদার ফুটবলে নেই? এই প্রশ্নে বিএফএ ইউকের কোচ সানা মিয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, খেলাধুলোকে পেশা হিসাবে দেখার মানসিকতার অভাব ফুটবলে ব্রিটিশ-এশীয়দের পশ্চাৎপদতার সবচেয়ে বড় কারণ।

"ছেলেদের পেশাদার ফুটবলার করতে যে মাত্রার অঙ্গিকার বাবা-মার থাকেত হবে, তা অনুপস্থিত। ফুটবলে এশীয় রোল মডেলের অভাব আরেকটি কারণ।"

শাকিল অনোয়ার