আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

মুক্তি ২০১৪: প্রতিবেদন

  • ২৯ মার্চ ২০১৪
ছবির কপিরাইট

বাংলাদেশের অভিভাবকদের প্রায়ই বলতে শোনা যায়, সন্তানকে ডাক্তার নয়তো ইঞ্জিনিয়ার বানাবেন।

কিন্তু সন্তান কি হতে চায়, কোন বিষয়ে সে বেশী পারদর্শী, সেই মতামত কি তারা নিচ্ছেন?

বাংলাদেশের ছেলেমেয়ারা কি স্বাধীনভাবে তাদের জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারছে?

বিবিসি বাংলার আহরার হোসেন এ নিয়ে যাদের সাথে কথা বলেছিলেন, তাদের একজন গায়ক মনজুরুল ইসলাম খান। তিনি ছোটবেলা থেকেই গায়ক হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অভিভাবকদের আপত্তি থাকায় তিনি প্রথাগতভাবে গান শেখার সুযোগ পান নি।

"বলতে কোন আপত্তি নেই যে এখনো আমার গ্রামের বাড়িতে হারমোনিয়াম নিয়ে ঢুকতে পারি নি" - বলছিলেন তিনি।

তিনি প্রথম কিছুদিন ডাক্তারি, এবং পরে গণিতে পড়াশোনা করে, তার পর আবার ব্যাংকে চাকরি নিলেও গানের টানে তা শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেন মনজুরুল ইসলাম খান। তিনি সঙ্গীতশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দেন, এবং এভাবেই তার পেশাদার শিল্পী হয়ে ওঠা।

এমনভাবে ইচ্ছের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের চাপে পছন্দের বিষয় পড়তে না পারার দৃষ্টান্ত বিরল নয়।

ঢাকার একটি স্কুলের বিজ্ঞানের ছাত্র হুমায়ুন কবিরের ইচ্ছা ছিল কমার্স পড়ার - কিন্তু অভিভাবকদের চাপে তিনি এখন বিজ্ঞানের ছাত্র।

তিনি চান একজন চলচ্চিত্রকার হতে কিন্তু এ জন্য পরিবারের সমর্থন তিনি পাচ্ছেন না।

'মুক্তি ২০১৪' সিরিজের অংশ হিসেবে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এমনি আরো ক'জনের কথা শুনুন আহরার হোসেনের পরিবেশনায়।