মাঠে ময়দানে

৫ এপ্রিল ২০১৪ শেষবার আপডেট করা হয়েছে ০০:৪৬ বাংলাদেশ সময় ১৮:৪৬ GMT

বৃষ্টিবিঘ্নিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ-শ্রীলংকা সেমিফাইনাল

এবার টি২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সেমিফাইনাল সহ দুটি ম্যাচে জয়পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে।

এ পদ্ধতিটি ১৯৯০-এর দশকে চালু হবার পর থেকেই একে নিয়ে বিতর্কও অব্যাহত আছে। এ পদ্ধতি কখনো কারো জন্যে আশীর্বাদ হয়ে আসে, কারো জন্যে অভিশাপ। কিন্তু এই পদ্ধতির কোন বিকল্প আজও বের হলো না কেন?

ক্রিকেট ভক্তদের অনেকেই হয়তো জীবনে কোন দিনই সেই দৃশ্যটি ভুলবেন না। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড আর দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সেমিফাইনাল। যখন দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য ১৩ বলে ২২ রান দরকার, তখন বৃষ্টির জন্য মাত্র ১২ মিনিট খেলা বন্ধ থাকায় তখনকার 'বৃষ্টি আইন' অনুযায়ী সেই লক্ষ্য পরিবর্তিত হয়ে ১ বলে ২২ রানের এক অবাস্তব টার্গেটে পরিণত হলো।

'রেইন স্টপস প্লে'

এর প্রতিক্রিয়াতেই সন্ধান শুরু হয়েছিল বৃষ্টিবিঘ্নিত ক্রিকেট ম্যাচের নিষ্পত্তির জন্য একটি উন্নততর পদ্ধতি কি ভাবে বের করা যায়।

ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথড আবিষ্কার করেছিলেন দুই ইংরেজ পরিসংখ্যানবিদ ফ্রাংক ডাকওয়ার্থ এবং টনি লুইস। ১৯৯৬-৯৭ সালে তা প্রথম প্রয়োগ হয় জিম্বাবুয়ে আর ইংল্যান্ডের মধ্যেকার একটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে, আর আইসিসি প্রথম তা অনুমোদন করে ১৯৯৯ সালে।

এর মূল কথা হলো : একটি খেলায় বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ থাকলে পরে ব্যাট করা দলের জয়ের জন্য একটি সংশোধিত লক্ষ্য স্থির করা হয় - তাদের হাতে কতগুলো উইকেট আছে এবং কতগুলো ওভার বা বল খেলা যাবে - তার একটা বিশেষ গাণিতিক হিসেব করে।

মিরপুর স্টেডিয়ামে বৃষ্টি

কিন্তু এ পদ্ধতির কারণে অনেক দল 'বৃষ্টি না হলে জেতার সম্ভাবনা ছিল' এমন ম্যাচ হেরে গেছে।

এবার টি২০ বিশ্বকাপেই ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ হেরে গেছে প্রথম পাঁচ ওভারে নিউজিল্যান্ড বেশি রান করেছিল বলে। আবার প্রথম সেমিফাইনালে বৃষ্টি হলেও শ্রীরংকা মোটামুটি খেলার ধারা অনুযায়ীই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জিতেছে।

তাহলে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিই কি আপাতত ভরসা? নাকি এর বিকল্প কোন উন্নত পদ্ধতি বের করার সুযোগ আছে? এ নিয়ে এবারের মাঠে ময়দানেতে রয়েছে লন্ডনের ক্রিকেট লেখক ও বিশ্লেষক আশিস রায়ের সাক্ষাৎকার।

লা লিগায় এটিলেটিকোর উত্থান

এটলেটিকোর তারকা দিয়েগো কস্তা

স্পেনের লা লিগায় গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের পরিস্থিতিটিা ভিন্ন। এখন শীর্ষস্থানের জন্য বার্সেলোনা আর রিয়াল মাদ্রিদের সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এটলেটিকো মাদ্রিদ।

যদিও এটলেটিকো, বার্সেলোনা আর রিয়ালের মধ্যে এখনো পয়েন্টের পার্থক্য সামান্যই।

কিন্তু যারা বার্সেলোনা আর রিয়ালকে স্পেনের ফুটবলের চুড়োয় দেখতে অভ্যস্ত - তাদের জন্য এটা বিস্ময়কর লাগতে বাধ্য। কি করে এটলেটিকোর এই উত্থান হলো?

অন্যদিকে বার্সেলোনা পড়েছে গুরুতর সমস্যায়। খেলোয়াড় কেনার ক্ষেত্রে অনিয়মের জন্য ফিফা তাদের ওপর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর ফলে ২০১৫ সালের গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত নুতন খেলোয়াড় কিনতে পারবে না তারা।

স্পেনের ফুটবলে এটলেটিকো কেন এবার এত ভালো করেছে, আর এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বার্সেলোনা কতটা সংকটে পড়তে পারে - তা নিয়ে মাঠে ময়দানেতে কথা বলেছেন স্প্যানিশ ফুটবল বিশ্লেষক ফিল মিনশুল।

এ সপ্তাহের মাঠে ময়দানে পরিবেশন করেছেন পুলক গুপ্ত।