মিয়ানমারে কুমিরের বন্দীদশা
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

মিয়ানমারে কুমিরের বন্দীদশা

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে রয়েছে বৃহত্তম সংখ্যক কুমির, কিন্তু এত সংখ্যক কুমির নিয়ে কী করা হয় বা কী করা উচিত?

এই কুমিরগুলো রাখা হয়েছে সরকার পরিচালিত একটি এলাকায়, কিন্তু এগুলোর জীবন যেন আইনি জটিলতার মধ্যে পড়ে গেছে।

কুমিরের চামড়া দিয়ে বিভিন্ন পণ্য যেমন হাতব্যাগ, জুতা প্রভৃতি উৎপাদন শুরু করতে চায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

এমনকি প্রকল্পের মাধ্যমে কুমিরের বংশও বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু এগুলো কোনও কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

কিন্তু সমস্যা হলো, মিয়ানমারের সাবেক সেনা সরকার কুমিরের এই প্রকল্পের কোন ধরনের প্রশাসনিক রেকর্ড রাখেনি।

বৈধভাবে কাজ করার জন্য কুমিরের যে বংশবৃদ্ধি দরকার, তাতে আরও ২০ বছর সময় লেগে যাবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

সুতরাং, এই এলাকায় যে ৬০০ কুমির এখন রয়েছে তারা এভাবেই বাস করতে থাকবে।