গুলশান হামলায় অস্ত্র সরবরাহকারীদের আটকের দাবি করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট

Image caption জুলাইয়ে হোলি আটিজান বেকারীতে জঙ্গি হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছিলো

গুলশান হামলায় ব্যবহার করা গ্রেনেড তৈরির কাঁচামাল ও পিস্তল সরবরাহকারী গ্রেফতারের দাবি করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে গত রাতে ঢাকার দারুসসালাম এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হল : মোঃ আবু তাহের (৩৭) , মিজানুর রহমান (৩৪), মোঃ সেলিম মিয়া (৪৫) ও তৌফিকুল ইসলাম @ ডাঃ তৌফিক (৩২)।

এ সময় তাদের হেফাজত থেকে হ্যান্ডমেড গ্রেনেড তৈরির মূল উপকরণ ৭৮৭টি ডেটোনেটর ও একটি ৯ এমএম বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে গ্রেফতারকৃতরা সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবির সদস্য এবং তারা সীমান্তে অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালানের সাথে জড়িত।

Image caption পুলিশের প্রকাশ করা ফুটেজে হামলার সন্দেহভাজন একজন

পুলিশের দাবি সাম্প্রতিক সময়ে নব্য জেএমবি'র দেশব্যাপী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির মূল উপকরণ ডেটোনেটর, জেল ও অস্ত্র গ্রেফতারকৃতরা ভারতীয় সীমান্ত হতে চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসত।

এই বিস্ফোরক ও অস্ত্র সংগ্রহের অন্যতম প্রধান চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার জেএমবি'র বর্তমান দায়িত্বশীল মিজানুর রহমান, যিনি বড় মিজান, মিজানুর রহমান, ছোট মিজান, তারা নামেও পরিচিত।

আটককৃতদের উদ্ধৃত করে পুলিশ বলছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে গুলশান হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির কাঁচামাল ও পিস্তল সহ অন্যান্য অস্ত্রগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত হতে গ্রেফতারকৃতদের মাধ্যমে সংগ্রহ করে ছোট মিজান @ তারা গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরী ও মারজানের কাছে পৌঁছে দেয়।