তাজরীন অগ্নিকাণ্ডের চারবছর পূর্তির দিনেও আগুনে মৃত্যু শ্রমিকের

বিবিসি, কারখানা, বাংলাদেশ ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption ২০১২ সালে তাজরীন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের স্মরণ এবং দোষিদের বিচারের দাবিতে যখন চলছে বিভিন্ন আয়োজন, সেদিনই আবার আরেক কারখানায় আগুনে পুড়ে যাওয়া শ্রমিকের মৃত্যুর খবর এলো। (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশের আশুলিয়া এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে যাওয়া রোকসানা আক্তার রুকি আজ সকালে হাসপাতালে মারা গেছে। মঙ্গলবারের অগ্নিকাণ্ডে তার শরীরের ৭০ ভাগই পুড়ে গিয়েছিল।

ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে সকাল সাড়ে দশটার পরে তার মৃত্যু হয় বলে বার্ন ইউনিটে কর্মরত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। ।

এর আগে অগ্নিকাণ্ডের দিনই ওই কারখানার আঁখি নামে এক শিশু শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে তাজরীন ফ্যাশনস নামে একটি পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডে শতাধিক শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনার ঠিক চারবছর পূর্তির দিনে আজ রুকির মৃত্যুর খবর এলো।

তাজরীনের আগুনে ১১১ জন শ্রমিকের পুড়ে মারা যান। গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হন আরও অনেক শ্রমিক। বাঁচার আশায় ওপর থেকে লাফিয়ে পড়ে পঙ্গু হয়ে যান বেশ কয়েকজন। এরপর কারখানায় নিরাপদ কর্ম-পরিবেশ এবং নিরাপত্তা নিয়ে দেশে-বিদেশে বিস্তর কথা-বার্তা হলেও, থেমে নেই কারখানা দুর্ঘটনার খবর।

আড়াই মাস আগে গাজীপুরের টঙ্গীতে ট্যাম্পাকো নামে একটি কারখানায় আগুনে তিরিশ জনেরও বেশি শ্রমিকের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনার পর, এবার আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় কালার ম্যাচ বিডি লিমিটেড নামে ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধসহ প্রায় ৩০ জন আহত হন।

তাদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজন শ্রমিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে করা হয়। এছাড়া দগ্ধ ও আহত আরও কয়েকজনকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।