গাইবান্ধায় এমপি হত্যা: জামায়াত-শিবিরকর্মীসহ অন্তত ১০জন আটক

গাইবান্ধার সরকার দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন ছবির কপিরাইট focus bangla
Image caption গাইবান্ধার সরকার দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা গাইবান্ধার সরকারি এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জামায়াত-শিবিরকর্মীসহ অন্তত ১০জন আটক করেছে পুলিশ।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরও তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জে মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের বাসায় ঢুকে তাকে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা।

পুলিশ জানায়, সরকার দলীয় এই সংসদ সদস্যের স্ত্রী সন্ধ্যায় ফোন করে জানান যে দুজন ব্যক্তি বাসায় ঢুকে মি:ইসলামকে গুলি করে পালিয়ে গেছে। পুলিশ আরও জানায়, মি. ইসলামকে যখন গুলি করা হয় তখন তিনি তার নিজ বাড়ির ড্রয়িং রুমে ছিলেন।

হামলার খবর পেয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

গুরুতর আহত অবস্থায় মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে তিনি মারা যান।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনির কাছে বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, 'জামায়াত-শিবিরের চক্রান্তের শিকার মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন'।

বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের সাথে সাধারণত: পুলিশ সদস্য দেহরক্ষী হিসেবে থাকে।

তবে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাসায় থাকলে সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম দেহরক্ষী রাখতেন না। বাসার বাইরে গেলেই শুধুমাত্র দেহরক্ষী নিয়ে যেতেন।

২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে শিশু শাহাদত হোসেনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী এমপি মঞ্জুরুল ইসলামের বিচারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলো।

আর পড়ুন:

‘জামায়াত-শিবিরই মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যা করেছে’

গাইবান্ধায় সরকারি এমপিকে গুলি করে হত্যা

সম্পর্কিত বিষয়