বাংলাদেশ কি ম্যাচটা বাঁচাতে পারবে?

ছবির কপিরাইট Hagen Hopkins
Image caption আউট হয়ে ফিরছেন মাহমুদুল্লাহ

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়েলিংটনে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ তিন উইকেটে ৬৬ রান করে চতুর্থ দিন শেষ করার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে - প্রথম ইনিংসে এত ভালো ব্যাট করার পরও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা হেরে বসবে কিনা?

চতুর্থ দিনের শেষে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৬৬ রান করায় এখন নিউজিল্যান্ডের চাইতে ১২২ রানে এগিয়ে আছে।

কিন্তু আশংকাটা হলো, শেষ দিনে যদি বাংলাদেশ দ্রুত বাকি উইকেটগুলো হারায়, তাহলে হয়তো নিউজিল্যান্ডের সামনে একটা সহজ জয়ের লক্ষ্য দেখা দিতে পারে - এবং তারা হয়তো সেটা করেও ফেলতে পারে।

আরো পড়ুন: উইকেট বাঁচাতে আত্মঘাতী লাফ, কেন?

ওয়েলিংটন থেকে ক্রিকেট সাংবাদিক তারেক মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, উইকেট এখনো ব্যাটিং সহায়ক আছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ভুলে আউট হয়েছেন।

"তামিম ইকবাল একটা বাজে শট খেলে আইট হলেন। মাহমুদুল্লাহর ওই বলটিতে ওভাবে আউট হবার কথা নয়। মেহেদি হাসান মিরাজ নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে নেমে দিনের শেষে রান আউট হলেন। তার মনে রাখা উচিত ছিল যে উইকেটে থেকে দিনটা পার করে দেবার জন্যই তাকে নামানো হয়েছে" - বলছিলেন তারেক মাহমুদ।

ছবির কপিরাইট Hagen Hopkins
Image caption তামিম ইকবালকে বলে করছেন টিম সাউদি

মূলত ইমরুল কায়েসের আহত হয়ে মাঠ ছাড়ার পর থেকেই বিপর্যয়টা শুরু হয় - বলছিলেন তারেক মাহমুদ। তার কথায়, তামিম ও মাহমুদুল্লাহর মতো সিনিয়র ব্যাটসম্যানদের ইকেটে টিকে থাকার মানসিকতা নিয়ে খেলা উচিত ছিল। কিন্তু সেটা হয় নি।

"তিনটি আউটেই আমি নিউজিল্যান্ডের বোলারদের কোন কৃতিত্ব দেখছি না," বিবিসি বাংলার শাকিল আনোয়ারকে বলেন তিনি।

বাংলাদেশের সামনে ঝুঁকিটা হচ্ছে, ইমরুল কায়েস হয়তো চোটের কারণে আর নামতে নাও পারেন। তা ছাড়া মুশফিকুর রহিমও পুরোপুরি ফিট নন। বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য বলছে, প্রয়োজনে মুশফিকুর রহিম ব্যাট করতে নামবেন।

তবে উইকেট ব্যাটিং সহায়ক, এবং মুমিনুল হক, সাকিব আল হাসান, ও সাব্বির রহমান যদি ভালো ব্যাট করতে পারেন শেষ দিনে - তাহলে টেস্ট ম্যাচটা ড্র করতে খুব একটা অসুবিধা হবার কথা নয়।

কিন্তু - তারেক মাহমুদের কথায় - রোববারের মত ব্যাটসম্যানরা ভুল করতে থাকলে বাংলাদেশের জন্য বিপদের কারণ আছে।

প্রথম ইনিংসের এত রান, একটি ডাবল সেঞ্চুরি, একটি সেঞ্চুরি, প্রথম ইনিঙসের লিডের পরও যদি এমনটা হয় - তা হবে খুবই দু:খজনক, বলেন তারেক মাহমুদ।

সম্পর্কিত বিষয়