সাত দেশের মুসলিমদের আমেরিকায় ঢোকা 'নিষিদ্ধ'

ছবির কপিরাইট Pool
Image caption মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'পরবর্তী নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত' সিরিয়ান শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা নিষিদ্ধ করেছেন।

এ ছাড়াও ইরান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া, সোমালিয়া ও সুদান - এই ৬টি মুসলিম-প্রধান দেশ থেকে আসা লোকদের ভিসা দেয়া তিন মাসের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন মি. ট্রাম্প। এক নির্বাহী আদেশে তিনি এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

কিন্তু মি. ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ প্রায় সাথে সাথেই রাজনীতিবিদ এবং শরণার্থী সংস্থাগুলোর সমালোচনা সম্মুখীন হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন আমেরিকা যুদ্ধ ও নিপীড়নের হাত থেকে পালিয়ে আসা লোকদের সুরক্ষা দেয়া অব্যাহত রাখে।

মি. ট্রাম্প বলছেন, উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসীদের যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে রাখার জন্য তার পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই নিষেধাজ্ঞাগুলো আরোপ করা হয়েছে।

মার্কিন ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এর কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, এতে আমেরিকান মূল্যবোধের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।

কমলা হ্যারিস নামে আরেক জন সিনেটর বলেছেন, 'এই আদেশ আসলে মুসলিমদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা।'

আরো পড়ুন: ভারতে হিন্দু রানী ও মুসলিম রাজার প্রেম নিয়ে বলিউড সিনেমার শুটিংএ হামলা

ট্রাম্পের আদেশের পর আমেরিকার বাইরে থাকা কর্মীদের ফিরতে বললো গুগল

ছেলের আকাঙ্খায় অন্যের শিশু চুরি: এক নারী আটক

তার এই নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছেন নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, ও নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডে ব্লাসিও।

শুক্রবার প্রচারিত এক টিভি সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যেসব সিরিয়ান শরণার্থী হবার জন্য আবেদন করবে তাদের ভেতর থেকে ভবিষ্যতে খ্রীষ্টানদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

উল্লেখ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের কারণে পালিয়ে আসা ১০ হাজার সিরিয়ান শরণার্থীকে গত বছর আশ্রয় দিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারাভিযানের সময় মি. ট্রাম্প মুসলিমদের আমেরিকায় আসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার কথা বলেছিলেন, তবে ভোটে জেতার পর থেকে তিনি আর এরকম কিছু বলেন নি।