প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর উত্তর কোরিয়ার প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption উত্তর কোরিয়া গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে

জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তীব্র নিন্দা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিঞ্জো আবে।

উত্তর কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ঠিক তখনই করেছে যখন এই দুই নেতা ফ্লোরিডাতে বৈঠক করছিলেন।

জাপানি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই আচরণ সহ্য করার মত নয়।

মি ট্রাম্প বলেছেন, তার দেশ পুরোপুরি জাপানের পেছনে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিঞ্জো আবে যখন আমেরিকা সফর করছেন, ঠিক তখনই এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবেই জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া - উভয়কেই বিচলিত করেছে।

কারণ এই দুটি দেশকে উত্তর কোরিয়া তাদের দুই প্রধান শত্রু দেশ বলে মনে করে।

ছবির কপিরাইট AP
Image caption জাপানি প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

এই ক্ষেপণাস্ত্রটি কি ধরনের তা চিহ্নিত করা যায় নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী বলছে, উত্তর কোরিয়া পশ্চিম তীরে একটি বিমান ঘাঁটি থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়, এবং ক্ষেপণাস্ত্রটির গতিপথ ছিল জাপান সাগরের দিকে।

এটা স্পষ্টতই জাতিসংঘের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন, এবং অনেকে ভেবেছিলেন উত্তর কোরিয়া এ সময়টিকেই তাদের প্রথম আন্ত-মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য বেছে নেয় কিনা।

বিবিসির সংবাদদাতা ডেভিড ব্যামফোর্ড বলছেন, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতাসীন হবার পর উত্তর কোরিয়ার এই প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, আর যেভাবে জাপানী প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার বৈঠক চলার সময় এটা ঘটানো হয়েছে - তাতে এটা যে একটা উস্কানিমূলক এবং উদ্দেশ্যমূলক কাজ এটা স্পষ্ট।

উত্তর কোরিয়া দাবি করে যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পারমাণবিক আক্রমণ চালাতে সক্ষম কিন্তু তাদের সত্যি তেমন প্রযুক্তি আছে কিনা তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত নন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শত ভাগ জাপানের পাশে থাকবে,তবে তিনি কি পদক্ষেপ এর পর নেন সেটাই দেখার বিষয়

কারণ নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় তিনি উত্তর কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চীনকে চাপ দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।