মাঠে ময়দানে
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

টেস্টে বাংলাদেশের বোলিং সক্ষমতা কেন এখনো সীমিত

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের বোলিং এর সীমাবদ্ধতা বেশ ভালোভাবেই ধরা পড়েছে হায়দারাবদে ভারতের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটিতে

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ - অন্তত টেস্ট ক্রিকেটে এখনো এমন নয় , যারা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন আপে নিয়মিত ভাঙন ধরাতে পারে বা ম্যাচে ২০টি উইকেট নিতে পারে।

হায়দরাবাদ টেস্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ব্যাটসম্যানরা রানের পাহাড় গড়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সীমাবদ্ধতা। যদিও বাংলাদেশ এর পর নিজেরাও ভালো ব্যাটিং করেছে। কিন্তু তাতে টেস্টে ক্রিকেটে বাংলাদেশের বোলিংএর দুর্বলতাটা আড়াল হয় না।

এক অর্থে এতে নতুন কিছুই নেই - বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট খেলা শুরু করার পর থেকে এটা অনেক বার দেখা গেছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ ৬০০ বা তার বেশি রান করেছে ৫ বার। ৫০০ বা তার বেশি রান করেছে অন্তত ২৬ বার ।

ঘুরে ফিরে সেই পুরোনো প্রশ্নই মনে আসে - বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ তাহলে কি এখনো এমন হয় নি - যারা টেস্ট ক্রিকেটে ভালো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ২০টি উইকেট তুলে নেবার ক্ষমতা রাখে/ কেন সেরকম বোলিং আক্রমণ বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে না?

এ নিয়ে এবারের মাঠে ময়দানেতে কথা বলেছেন ক্রিকেট সাংবাদিক মোহাম্মদ ইসাম এবং সাবেক মিডিয়াম ফাস্ট বোলার তারজীব আহসান সাদ।

ছবির কপিরাইট Cameron Spencer
Image caption বিরাট কোহলি

মোহাম্মদ ইসাম বলছিলেন, ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে বাংলাদেশের বোলিং ভালো হয় নি। এই বোলারদের দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা কম, কারণ তারা যথেষ্ট প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেন না।

"তা ছাড়া বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড এ-টিমের সফর আয়োজন করতে পারছে না - যাতে তাদের চারদিনের ম্যাচ খেলার অভ্যাস তৈরি হয়। এর অভাবে বাংলাদেশের বোলাররা লম্বা সময় ধরে লাইন লেংথ ঠিক রেখে বল করতে পারছে না।"

ছবির কপিরাইট Gareth Copley
Image caption সাকিব আল হাসান

মোহাম্মদ ইসাম আরো বলছিলেন, তা ছাড়া বাংলাদেশ দলে বোলিং লাইনআপে খুব বেশি ঘন ঘন পরিবর্তন করা হয়, ফলে এক একজন বোলার দুএকটি ম্যাচ খেলেই দল থেকে বাদ পড়ে যান। কিন্তু ভালো ফল পেতে হলে এক একটি বোলিং লাইনআপকে আরো বেশি ম্যাচ খেলিয়ে পরিণত হবার সুযোগ দিতে হবে।

সাবেক ফাস্ট বোলারএবং বাংলাদেশ দলের সাবেক ম্যানেজার তানজীব আহসান সাদ বলছিলেন, ভালো উইকেট তৈরি না হলে ভালো বোলার হয় না। বাংলাদেশে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা হয় স্পিন-সহায়ক উইকেটে, এখানে ফাস্ট বোলাররা কোন সহায়তা পান না।

"তার ওপর এক একটি উইকেটে এত বেশি ম্যাচ খেলা হয় যে তার কন্ডিশন ভালো থাকে না, গ্রাউন্ডসম্যান ভালো উইকেট তৈরি করে দিলেও তা খুব তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যায়।"

তিনি আরো বলেন, ভারতে এক সময় স্পিন সহায়ক উইকেট করা হতো, কিন্তু এখন ভারতে সব জায়গাতেই এমন উইকেট হচ্ছে যেখানে দ্রুতগতির বোলাররা সহায়তা পান।

ছবির কপিরাইট Laurence Griffiths
Image caption লেস্টার সিটি কি এবার প্রিমিয়ার লিগ থেকে নেমে যাবে?

লেস্টার সিটির 'ম্যাজিক' কি শেষ?

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গত বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়েছিল লেস্টার সিটি। কিন্ত এবার তারা পয়েন্ট তালিকায় এতই নিচে যে প্রিমিয়ার লিগে টিকতে পারবে কিনা তা নিয়েই দেখা দিয়েছে সংশয়।

এই পতনের কারণ কি?

ছবির কপিরাইট Michael Regan
Image caption প্রিমিয়ার লিগ কাপ হাতে ক্লদিও রানিয়েরি ও লেস্টারের খেলোয়াড়রা, গত মওসুমে

ইংলিশ প্রেমিয়ার লিগে গতবারের আগেরবার রেলিগেশন থেকে কোন মতো রক্ষা পাওয়া লেস্টারের চ্যাম্পিয়ন হওয়া - এতই আশ্চর্যের ছিল যে বিবিসির ফুটবল উপস্থাপক গ্যারি লিনেকার মওসুমের মাঝখানে একবার বলেছিলেন - লেস্টার যদি চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে পরের মওসুমের প্রথম অনুষ্ঠানটি তিনি অন্তর্বাস পরে উপস্থাপন করবেন।

তাকে তাই করতে হয়েছিল।

কিন্তু এবার সেই লেস্টারের অবস্থা শোচনীয়। পয়েন্ট তালিকায় তারা এখন রয়েছে একেবারে নিচের দিকে, সম্ভাবনা আছে হয়তো তারা প্রেমিয়ার লিগ থেকে নেমে যেতে পারে।

অথচ তাকে দু একজন খেলোয়াড় ছাড়া আগের বছরের সব খেলোয়াড়ই আছে, আছেন ম্যানেজার ক্লডিও রানিয়েরিও।

তাহলে কেন এমন অবস্থা তাদের? এ নিয়ে কথা বলেছেন ফুটবল ভাষ্যকার মিহির বোস।

সম্পর্কিত বিষয়