ফিলিপিন্সে জার্মান জিম্মির শিরশ্ছেদের ভিডিও প্রকাশ

ছবির কপিরাইট AFP
Image caption নিহত জিম্মি মি. কান্টনার এবং তার সঙ্গী

ফিলিপিন্সের ইসলামিক জঙ্গীরা তাদের হাতে জিম্মি একজন জার্মান নাগরিককে শিরশ্ছেদ করে হত্যার ভিডিও প্রকাশ করেছে।

ইয়ুর্গেন কান্টনার নামে ৭০ বছরের এই ব্যক্তিকে গত নভেম্বর মাসে মালয়েশিয়ার সাবাহ-র উপকুল থেকে অপহরণ করা হয়েছিল। তিনি সে সময় তার প্রমোদতরী বা ইয়টে ছিলেন। পরে সেই নৌকায় তার সঙ্গিনী সাবিন মারৎজ-এর মৃতদেহ পাওয়া যায়।

নভেম্বরের ৭ তারিখ আবু সায়াফ নামের জিহাদি গোষ্ঠী একটি অডিও বার্তা দিয়ে জানায় - তারাই এ অপহরণ করেছে। ৩০ মিলিয়ন পেসো বা প্রায় ৬ লাখ ডলার মুক্তিপণ দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে - এমন একটি দাবিও করা হয়েছিল।

রোববার সেই সময়সীমা শেষ হয়।

এর পর জঙ্গী তৎপরতার ওপর নজরদারি করে এমন একটি সংস্থা 'সাইট' জানিয়েছে, একটি ভিডিও বেরিয়েছে যাতে দেখা যায়, ছুরি হাতে এক ব্যক্তি মি. কান্টনারকে হত্যা করছে।

ছবির কপিরাইট আবু সায়াফ
Image caption আবু সায়াফ ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছে

ফিলিপিন্স সরকারের এক মুখপাত্র জেসাস দুরেজা এই হত্যার কথা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, "শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আমাদের সেনাবাহিনী সব সবাই তার জীবন বাঁচানোর সবরকম চেষ্টা করেছি কিন্তু সফল হইনি।"

পুলিশের এক রিপোর্টে বলা হয়, সুলু প্রদেশের ইন্দানান এলাকায় রোববার বিকেলে কান্টনারকে হত্যা করা হয়, তবে তার মৃতদেহ পাওয়া যায় নি।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশে ২৮টি কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করতে আদালতের নির্দেশ

অস্কার অনুষ্ঠানে ভুল, আসলে কি হয়েছিল?

আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ায় স্বামীর কারাদন্ড

Image caption ফিলিপিন্স-এর দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় আবু সায়াফ

দক্ষিণ ফিলিপিন্সে সক্রিয় জিহাদি গ্রুপগুলোর মধ্যে আবু সায়াফ হচ্ছে অন্যতম একটি গ্রুপ - যারা তাদের সহিংসতা ও নিষ্ঠুরতার জন্য সুপরিচিত। তারা শিরশ্ছেদের ঘটনাও ঘটিয়েছে।

তারা ইতিমধ্যে ইসলামিক স্টেটের প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেছে, এবং বেশ কিছু বিদেশী ও ফিলিপিনোকে অপহরণ করেছে। এদের কয়েকজনকে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হলেও বাকিরা এখনো তাদের হাতে বন্দী।

মি. কান্টনার এর আগে একবার সোমালি জলদস্যুদের হাতে আটক হয়েছিলেন, তবে ৫২ দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে তিনি ছাড়া পান।

সম্পর্কিত বিষয়