গণভোট নিয়ে ইওরোপীয় দেশের সাথে তুরস্কের বিবাদ

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান: "তাদের আচ্ছা শিক্ষা দেব।" ছবির কপিরাইট AFP
Image caption প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান: "তাদের আচ্ছা শিক্ষা দেব।"

প্রবাসী তুর্কীদের মধ্যে তুরস্কে অনুষ্ঠেয় এক গণভোটের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে তুরস্ক এবং সুইডেনের তিক্ততা তৈরি হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ানের ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী মাসে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মি. এরদোয়ানের পক্ষে প্রচারণার জন্যে স্টকহোমে যে হল ঘরটি ভাড়া করা হয়েছিলো সেটির অনুমতি তার মালিক প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

সুইডেনে বসবাসকারী তুর্কী-বিরোধী নেতারা বলছেন, এই প্রচারণা খুবই উস্কানিমূলক।

আর আগে তুরস্কের আরো দুজন মন্ত্রীকে নেদারল্যান্ডসে প্রচারণার অনুমতি না দেওয়ায় ওই দেশটির সাথেও বিরোধের সৃষ্টি হয়।

তুরস্কে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনে গণভোটের আয়োজন করেছে এরদোয়ান সরকার।

ছবির কপিরাইট EPA
Image caption ইস্তাম্বুলে ডাচ দূতাবাসে তুর্কী পতাকা

এই প্রস্তাবের পক্ষে প্রবাসী তুর্কিদের ভোট জোগাড়ে সরকার ইউরোপের দেশগুলোতে প্রচারণার উদ্যোগ নিয়েছে।

কিন্তু তাতে রাজী হচেছনা ইউরোপের একের পর এক দেশ। আর এ নিয়ে এই দেশগুলোর সাথে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে এরদোয়ান সরকারের।

নেদারল্যান্ডসের সাথে পরিস্থিতি এতটাই তিক্ত হয়ে পড়েছে যে ইস্তাম্বুলে সরকার সমর্থকরা নেদারল্যান্ডসের কনসুলেট ভবনে ডাচ পতাকা খুলে ফেলে তুরস্কের পতাকা উড়িয়ে দেয়।

মি. এরদোয়ান হুঁশিয়ার করে বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিনষ্ট করার জন্য নেদারল্যান্ডসকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

সম্পর্কিত বিষয়