লন্ডনের হামলাকারী খালিদ মাসুদ সম্ভবত ধর্মান্তরিত মুসলমান ছিলেন

ছবির কপিরাইট AP
Image caption ওয়েস্টমিনস্টারে হামলার সময়ই খালিদ মাসুদকে গুলি করা হয়

লন্ডনে সন্ত্রাসী হামলার দায়ে অভিযুক্ত খালিদ মাসুদ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবারে ৫২-বছর বয়সী এই ব্যক্তি প্রথমে একটি গাড়ি টেমস নদীর ওপরের ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজে পথচারীদের ওপর চালিয়ে দেন এবং এরপর পাশেই অবস্থিত পার্লামেন্ট ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাহত করেন, যার কারণে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

খালিদ মাসুদের জন্ম ইংল্যান্ডে।

তবে এখন জানা যাচ্ছে যে জন্মের সময় তাঁর নাম ছিল অ্যাড্রিয়ান রাসেল অ্যাজায়ো, যদিও শুরুতে পুলিশ বলেছিল ঐ ব্যক্তি জন্মেছিলেন অ্যাড্রিয়ান এলম্‌স্‌ নামে।

অ্যাড্রিয়ান রাসেল অ্যাজায়ো নামটি নিশ্চিত করেছেন লন্ডন মেট্রোপলিটান পুলিশের অ্যাসিসট্যান্ট ডেপুটি কমিশনার মার্ক রাওলি।

তাঁর জন্ম কেন্টের ডার্টফোর্ডে ১৯৬৪ সালের ক্রিস্টমাসের দিন, অর্থাৎ ২৫শে ডিসেম্বর।

ফলে এই সম্ভাবনা এখন বাড়ছে যে তিনি হয়তো ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নিয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন।

যদিও এ ব্যাপারটি এখনও কোন কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। তবে এই তথ্য তদন্তকারীদেরকে হয়তো সাহায্য করবে যে কেন ঐ ব্যক্তি এ রকম একটি হামলা করলেন।

পুলিশ অবশ্য যখন তাঁর নাম প্রথম প্রকাশ করে, তখনই বলেছিল যে খালিদ মাসুদ বেশ কয়েকটি নাম ব্যবহার করতেন।

তিনি সর্বশেষ ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে থাকতেন। আর যে গাড়িটি তিনি হামলার কাজে ব্যবহার করেন, সেটি তিনি ভাড়া করেছিলেন বার্মিংহ্যাম থেকে।

আরও পড়ুন: লন্ডন হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ করলো পুলিশ

'রিজার্ভ চুরির হোতারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে আছে'

কিন্তু হামলার ঠিক আগে তিনি ব্রাইটনে একটি হোটেলে ছিলেন। তবে সেখানে কেন তিনি ছিলেন, তা এখনও অজানা।

লন্ডনে এই হামলার সময়ই খালিদ মাসুদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

এই হামলার ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হওয়ায় সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা এখন পাঁচ।

ঘটনার তদন্তে লন্ডন, বার্মিংহ্যাম ও ব্রিটেনের আরও কিছু এলাকায় শতশত গোয়েন্দা কাজ করছেন।

এখন পর্যন্ত দশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নয় জন এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশের জানিয়েছে যে একজন নারীকে জামিনে মুক্ত দেয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত বিষয়