মাঠে ময়দানে
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

প্রতিপক্ষকে বিদ্রূপ করে গান কি ফুটবল সংস্কৃতির অংশ ?

ইংল্যান্ড ও জার্মানির মধ্যে যে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ হয়ে গেল ডর্টমুন্ডে, সেখানে ইংলিশ সমর্থকরা জার্মানদের বিদ্রুপ করে মাঠে যেসব বিদ্রুপাত্মক গান বা শ্লোগান দিয়েছে - তা নিয়ে শুরু হয়েছে হৈচৈ।

কিছু ইংলিশ সমর্থক সেখানে এমন কিছু গান গাইছিল, যাতে বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির ভুমিকা এবং তাদের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা হয়। ওই ম্যাচে জার্মানি ১-০ গোলে ইংল্যান্ডকে হারায়।

ইংলিশ ফুটবল এসোসিয়েশন বা এফএ ইংরেজ ভক্তদের এরকম আচরণের তীব্র নিন্দা করেছে এবং ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে এই ভক্তদের সনাক্ত করার চেষ্টাও করছে। চিহ্নিত করতে পারলে এই ফ্যানদের মাঠ যাওয়া নিষিদ্ধ করা হবে।

তবে এসব ব্যবস্থায় কতটা কাজ হবে? কারণ কি ক্লাব ফুটবল, কি আন্তর্জাতিক ফুটবল - সব ক্ষেত্রেই ভক্ত-সমর্থকরা প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে নানা রকমের বিদ্রূপাত্মক গান গেয়ে থাকে, শ্লোগান দিয়ে থাকে।

এসব ম্যাচ যারা টিভিতে দেখেন, তারা নিশ্চয়ই ধারাবিবরণীর ফাঁকে ফাঁকে কিছুটা হলেও শুনতে পান - স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে শত শত দর্শক মিলে গান গাইছে। এটা ফুটবল খেলার যেন একটা স্বাভাবিক অনুষঙ্গ হয়ে গেছে।

এসব গান অনেক সমই নানা বিতর্কের কারণ হয় - যা দুই ক্লাব বা দেশের মধ্যেকার অতীত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ইতিহাস, বিদ্বেষ, শত্রুতা, বা যুদ্ধের স্মৃতিকে উসকে দেয়।

ছবির কপিরাইট Carl Court
Image caption ফুটবল খেলা নিয়ে দর্শকদের উগ্র আচরণ একটা পুরোনো সমস্যা

কিন্তু দর্শকরা প্রতিপক্ষকে বিদ্রুপ করে কেন এরকম গান গায়? এটা কি আসলেই ইউরোপের ফুটবল সংস্কৃতির অংশ ?

এসব গান নিয়ে এরকম বিতর্কই বা সৃষ্টি হয় কেন?

এ নিয়ে কথা বলেছেন আমস্টার্ডম থেকে অরণি জেড - তিনি একজন সাবেক সাংবাদিক, এবং ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়মিত দর্শক।

এ সপ্তাহের 'মাঠে ময়দানে'তে আরো শুনবেন রোয়ান্ডায় কিভাবে ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার ক্ষত নিরাময় করতে ভুমিকা রাখছে ক্রিকেট খেলা।

খেলা নিয়ে বিবিসি বাংলার এবারের সাপ্তাহিক আয়োজনটি পরিবেশন করেছেন পুলক গুপ্ত।

সম্পর্কিত বিষয়