ব্লগার রাজীব হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তসহ সব আসামীর সাজা বহাল

  • ২ এপ্রিল ২০১৭
রাজীব হায়দার ছবির কপিরাইট Focus bangla
Image caption রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ঢাকার পল্লবী এলাকায়।

বাংলাদেশে আলোচিত ব্লগার রাজীব হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতের দেয়া রায় বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

ঐ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই আসামীকে মৃত্যুদণ্ডসহ আরো ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালত। ২০১৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর ঐ আদেশ দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ফয়সাল বিন নাঈম দীপ এবং রোদোয়ানুল আজাদ রানা। এদের মধ্যে রেদোয়ানুল আজাদ বর্তামানে পলাতক আছে।

মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের একজন মুফতি জসিমুদ্দিন রাহমানী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান হিসেবে পরিচিত। তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মি. রাহমানী ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত বাকিরা ঢাকার বেসরকারি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায়ে জামায়াতের শীর্ষপর্যায়ের একজন নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ২০১৩সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি। এই রায় ঘোষণার পর পরই সর্ব্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ঢাকার শাহবাগে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। গণজাগরণ মঞ্চের ব্যানারে সেই আন্দোলন ব্লগারদের একটা অংশের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।

আর এই আন্দোলন শুরুর কয়েকদিন পরই ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকার পল্লবী এলাকায় ব্লগার রাজীবকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। তখন এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে শাহবাগের আন্দোলন জোড়ালো হয়েছিল।

ব্লগার রাজীবের পুরো নাম আহমেদ রাজীব হায়দার। তিনি পেশায় স্থপতি ছিলেন। তিনি ব্লগ লিখতেন 'থাবাবাবা' নামে। সে সময় ব্লগে ইসলাম ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য লেখার অভিযোগে বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনও ব্লগারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল।

আরও পড়ুন:

'শুধু অভিযান চালিয়ে জঙ্গি নির্মূল করা সম্ভব না'

ভুল সিডনিতে উড়ে গেলেন ডাচ ছাত্র

সম্পর্কিত বিষয়