মিশরে দুটি গির্জায় বিস্ফোরণে নিহত ৪২, আইএস'এর দায় স্বীকার

  • ৯ এপ্রিল ২০১৭
বিবিসি, আন্তর্জাতিক ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption মিশরের কপটিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গির্জায় বিস্ফোরণে ৪২ জন নিহত হয়েছে। হতাহতদের স্বজনরা গির্জাার সামনে জড়ো হয়েছেন।

মিশরে গির্জা লক্ষ্য করে দুই দফা বিস্ফোরণে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় তানতা শহরে সেন্ট জর্জ'স কপটিক চার্চ টার্গেট করে প্রথম হামলাটি হয় এবং বিস্ফোরণে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর কিছু সময়ের ব্যবধানে আলেকজান্দ্রিয়ায় বিস্ফোরণের খবর আসে। সেখানেও একটি গির্জার সামনে বিস্ফোরণ হয় এবং সেখানে কমপক্ষে ১৩ জন নিহন হয়েছেন যাদের মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।

দুটি বিস্ফোরনে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছন।

ধর্মীয় পাম সানডে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বহু মানুষ ওই সময় গির্জা এলাকায় ছিলেন। তথাকথিত ইসলামিক স্টেট দাবি করেছে তারাই বিস্ফোরনের নেপথ্যে রয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিশরে প্রায়ই খ্রিস্টান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে ইসলামী জঙ্গিদের হামলার ঘটনা ঘটছে।

আলেকজান্দ্রিয়ায় আত্মঘাতী হামলাকারী গির্জায় ঢুকতে বাধা পেয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেয়।

আর তানতার প্রাদেশিক গভর্নর আহমেদ ডেইফ রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত নাইল চ্যানেলে বলেছেন, "সেখানে আগে থেকে বোমা পেতে রাখা হতে পারে কিংবা আত্মঘাতী বিস্ফোরণও ঘটানো হয়ে থাকতে পারে"।

আরও পড়ুন: ৪২ হাজার ফুট উঁচুতে যে শিশুর জন্ম

'মুফতি হান্নানের ভাবান্তর নাই'

মেয়েদের জন্য কতটা নিরাপদ হলো বাংলা বর্ষবরণ উৎসব?

প্রথম হামলার পর আশ-পাশের এলাকায় আরও বিস্ফোরক থাকতে পারে এই আশঙ্কায় তল্লাশি চালানো শুরু হয়।

ছবির কপিরাইট
Image caption ডিসেম্বর মাসে বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়েছিল কায়রোর কপটিক ক্যাথেড্রাল।

গত ডিসেম্বর মাসে বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়েছিল কায়রোর কপটিক ক্যাথেড্রাল।

সাম্প্রতিক বছরে কপটিক খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতার ঘটনা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে ২০১৩ সাল থেকে যখন সামরিক বাহিনী নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করে এবং ইসলামী চরমপন্থিদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করে।

আরও পড়ুন: দশম জাতীয় সংসদে আড়াই হাজারবার কটূক্তি