সাইবার হয়রানি ঠেকাতে স্কুলছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেবে সরকার

  • ১৮ এপ্রিল ২০১৭
বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের শিকার মানুষের বড় অংশটি অল্পবয়সী কিশোরী মেয়েরা ছবির কপিরাইট গেটি ইমেজেস
Image caption বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের শিকার মানুষের বড় অংশটি অল্পবয়সী কিশোরী মেয়েরা

বাংলাদেশে অল্প বয়সী মেয়েরা যখন কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হয়, অনেক সময় তারা বুঝতে পারেনা কি করবে, কাকে জানাবে। অনেকে এমনকি আদৌ কাউকে জানায় না। নীরবে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়, হতে থাকে।

নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও, সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বলছে, তথ্য মন্ত্রণালয়, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের যৌথ আলোচনায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের শিকার মানুষের বড় অংশটি অল্পবয়সী নারী বা কিশোরী মেয়েরা।

সেকারণে সাইবার হয়রানির শিকার হওয়া ঠেকানো এবং সাইবার অপরাধের শিকার হলে করনীয় সম্পর্কে সচেতন করার জন্য স্কুল কলেজের প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ছাত্রীকে প্রশিক্ষণ দেবার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আরো পড়ুন:‘প্রতি সপ্তাহে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাবে উত্তর কোরিয়া’

মরণাপন্ন বংশধরকে শেষবার দেখাতে ফিরলো বিমান

বাংলাদেশে কওমী ডিগ্রি নিয়ে ইসলামী দলগুলোতে মতপার্থক্য

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের যুগ্মসচিব আবুল মনসুর মোহাম্মদ শরাফুদ্দিন বিবিসির সাইয়েদা আক্তারকে বলছিলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আট বিভাগের মোট ৪০টি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

মি. শরাফুদ্দিন বলছেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের হাতে কলমে শেখানো হবে সাইবার আক্রমণের বা অপরাধের শিকার না হওয়ার কি কি উপায় ও সতর্কতা রয়েছে।

সেই সঙ্গে কোনভাবে অপরাধের শিকার হলে কি কি আইনি সুরক্ষা মেয়েটি পেতে পারে, কোথায় অভিযোগ করতে হবে, কার কাছে প্রতিকার চাইতে হবে।

এছাড়া সরকার ৯৯৯ নামে একটি হটলাইন চালু করেছে, যেখানে সাইবার অপরাধের শিকার হলে এই হটলাইনে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারে।

সম্পর্কিত বিষয়