বাংলাদেশের ঝিনাইদহে 'জঙ্গি আস্তানা' থেকে বোমা, বিস্ফোরক, অস্ত্র ও রাসায়নিক পদার্থ উদ্ধার

  • ২২ এপ্রিল ২০১৭
ছবির কপিরাইট গুগল ম্যাপ
Image caption পৃলিশ বলছে বাড়িটি থেকে প্রচুর বিস্ফোরক ও রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া গেছে

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা ঝিনাইদহের পোড়াহাটি উপজেলায় জঙ্গী আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম ছাড়াও বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক পদার্থ পেয়েছে।

পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমদ এক ব্রিফিংএর বলেছেন, বাড়িটিতে জঙ্গী আস্তানা ছিল এবং '৫/৬ জন জঙ্গি সেখানে প্রায়ই আসা যাওয়া করতো।'

অন্তত ২০টি কনটেইনারে ভর্তি করে রাখা এসব রাসায়নিক পদার্থ ঠিক কি এবং কি কাজে ব্যব্হার হতো- তা জানতে এগুলো পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আজ সকাল ১০টার দিকে ঝিনাইদহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে চূড়ান্ত অভিযান শুরু করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। এ অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে 'সাউথ প'।

এর আগে গতকাল শুক্রবার ওই বাড়িতে বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম আছে বলে তথ্য পেয়ে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে জেলা পুলিশ ও ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছিল ।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে বাড়িটিতে কাউকে পাওয়া যায়নি।

পরে বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ ঘরে তৈরি বোমা, ডেটোনেটর, একটি পিস্তল, তিনটি সুইসাইডাল ভেস্ট, একটি প্রেশার কুকার বোম্ব, ২০টি রাসায়নিক ভর্তি কন্টেইনার উদ্ধার করেছে ডিএমপি'র কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

আরও পড়ুন

মৌলভীবাজারে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ৭/৮ জঙ্গি নিহত

কুমিল্লা ও মৌলভীবাজারে 'জঙ্গি বিরোধী' অভিযান শুরু

বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী লাকী আখন্দের মৃত্যু

গ্রিক মূর্তি অপসারণ প্রশ্নে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য?

Image caption গত মাসে সিলেট ও মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নারী ও শিশু সহ বেশ কয়েকজন নিহত হয় (এটি মৌলভীবাজারের ছবি)

এরপর ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে রাখা হয়, সরিয়ে দেয়া হয় আশপাশের কয়েকটি বাড়ির লোকজনকে।

ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

এর আগে গত রাত দশটার দিকে ঘটনাস্থলে এক সংবাদ সম্মেলনে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমদ জানিয়েছিলেন, বাড়িটিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রয়েছে এবং বাড়ির মালিক জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য।

এর আগে গত মাসে সিলেট ও মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নারী ও শিশু সহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী তাদের কেউ কেউ আত্মঘাতী হয়েছে।