শনি গ্রহের খুব কাছে ঘুরছে ক্যাসিনি: উত্তর খুঁজছে রিং গুলো কিসের তৈরি এই প্রশ্নের
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

শনি গ্রহের খুব কাছে ঘুরছে ক্যাসিনি: উত্তর খুঁজছে রিংগুলো কিসের তৈরি

  • ২ মে ২০১৭

শনি গ্রহের রিং এবং ওই গ্রহের উপরে মেঘের মাঝখান দিয়ে ছুটে চলেছে মহাকাশ যান ক্যাসিনি।

সেখান থেকে তোলা ছাবি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীদের কাছে। গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো কিছু ছবি পাঠিয়েছে।

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর আগে এই গ্রহটির এতো কাছ থেকে কোন ছবি তোলা সম্ভব হয়নি। এসব ছবির মান খুবই উন্নত।

বিজ্ঞানীরা এখন এসব ছবি বিশ্লেষণ করছেন।

শনি গ্রহটির খুব কাছ দিয়ে এই নভোখেয়াটি ছুটছে ঘণ্টায় ৭০ হাজার মাইল গতিতে।

এর ফলে নিজেকে বিশেষ কৌশলে রক্ষা করতে গিয়ে কখনো কখনো পৃথিবীর সাথে সংযোগ হারিয়ে ফেলছে।

শনি দেখতে খুব চমৎকার এবং আকর্ষণীয় হলেও নাসা বলছে, এই গ্রহটি সম্পর্কে এখনও খুব বেশি কিছু জানা যায় নি। কিন্তু এই মিশন থেকে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মিলবে বলে তারা আশা করছেন।

এই ক্যাসিনি অভিযান নিয়ে শুনুন নাসার বিজ্ঞানী ড. অমিতাভ ঘোষের সাক্ষাৎকার। অডিওটি শুনতে চাইলে উপরের লিঙ্কে ক্লিক করুন।

উড়ন্ত পোশাক

ব্রিটেনে একজন উদ্ভাবক এমন একটি পোশাক তৈরি করেছে যে পরে এর সাহায্যে আপনি উড়তে পারেন। এই পোশাক দেখতে লোহার তৈরি মানব আয়রন ম্যানের মতো।

এটিকে প্রদর্শন করা হয়েছে কানাডায় প্রযুক্তি ও বিনোদন বিষয়ক এক সম্মেলনে।

এর উদ্ভাবকের নাম রিচার্ড ব্রাউনিং। পোশাকটি পরে কিভাবে উড়তে হয় সেটা তিনি বহু দর্শকের সামনে হাতে কলমে দেখিয়ে দিয়েছেন।

ছবির কপিরাইট RICHARD BROWNING
Image caption যুক্তরাজ্যে প্রথম স্যুটটি পরে একটি ভিডিও পোস্ট করেন রিচার্ড ব্রাউনিং

এর আগে ব্রিটেনে তার এরকম একটি ভিডিও পোস্ট করা হলে সেটি আলোড়নের সৃষ্টি করে। তবে তিনি বলেছেন, মজা করার জন্যেই তিনি উড়ার এই পোশাকটি বানিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে পরিবহনের কোন সম্ভাবনা নেই।

তার বাবা একজন এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। মি. ব্রাউনিং বলেছেন, তার বাবার কাছ থেকেই তিনি এই পোশাকটি বানাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, নতুন কিছু বানানোর চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি খুব ভালোবাসেন।

তিনি বলেছেন, তার এই উদ্ভাবনের লক্ষ্য ছিলো মানুষের মন ও শরীরের মধ্যে একটি সমন্বয় ঘটানো। এই দুটো জিনিসই তার কাছে বিস্ময়কর বলে মনে হয়।

"আমি শুধু এই দুটো যন্ত্রের মধ্যে একটা জিনিসই যোগ করার চেষ্টা করেছি সেটা হলো থ্রাস্ট। অর্থাৎ একটা ধাক্কা," বলেন তিনি।

মি. ব্রাউনিং জানিয়েছেন, ছয়টি ছোট ছোট জেট ইঞ্জিন ব্যবহার করে তিনি এই উড়ন্ত পোশাকটি বানিয়েছেন। তার মাথায় একটি হেলমেট পরা। সেখানে আছে একটি ডিসপ্লে যাতে কতোটুকু জ্বালানী খরচ হয়েছে তার একটি হিসেব উঠতে থাকে।

উড়ার সময় মি ব্রাউনিং তার হাতের সাহায্যে গতি ও দিক নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন।

ছবির কপিরাইট Richard Browning
Image caption নিরাপত্তাজনিত কারণে খুব বেশি উচ্চতায় যান না মি. ব্রাউনিং

মি. ব্রাউনিং জানান এই পোশাকটি পরে খুব সহজেই ঘণ্টায় দুশো মাইল গতিতে উড়ে যাওয়া সম্ভব। আর উচ্চতা হতে পারে কয়েক হাজার ফুট পর্যন্ত।

তবে নিরাপত্তার খাতিরে তিনি নিজের গতি এবং উচ্চতা খুব কমই রেখেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন এটি মোটরবাইকের চেয়েও বেশি নিরাপদ।

এই পোশাকটি পরে বর্তমানে কোনো ধরনের বাধা ছাড়া এক নাগারে দশ মিনিট ধরে উড়ে যেতে পারে।

বিজ্ঞানের আসর পরিবেশন করেছেন মিজানুর রহমান খান।

সম্পর্কিত বিষয়