এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকার: আনোয়ার শাহী
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

বাংলাদেশের দুই হাজারের বেশি সিনেমায় ডাবিং শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

  • ১৮ মে ২০১৭

খুব ছোট বেলা থেকে মঞ্চের সাথে যুক্ত ছিলেন আনোয়ার শাহী। নিজের শহর রাজশাহীতে জন্ম,বেড়ে উঠা।

প্রথমে ইচ্ছা ছিল অভিনেতা হওয়ার কিন্তু ডাবিং শিল্পী বা বাচিক শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বেশি।

ঢাকায় এসে এফডিসিতে কাজ শুরু করেন সিনেমার সহকারি পরিচালক হিসেবে।

অভিনয় করেছেন দুই-একটি সিনেমায়। কিন্তু একেবারে ডাবিং শিল্পী? সেটার শুরু কিভাবে?

প্রয়াত পরিচালক আজমল হুদা মিঠুর হাত ধরে তার সিনেমায় অভিনয় ও ডাবিং শুরু। বিবিসি বাংলার ফারহানা পারভীনের সাথে তিনি বলেছেন ডাবিং শিল্পী হিসেবে কাজ করার নানা দিক নিয়ে।

একই সিনেমায় দুইটি চরিত্রে তিনি ডাবিং করেন সেসময়।

ছবির কপিরাইট আনোয়ার শাহীর ফেসবুক থেকে নেয়া
Image caption সিনেমার ডাবিং করছেন তিনি

বাংলাদেশের দুই হাজারের বেশি সিনেমায় ডাবিং শিল্পী হিসেবে কাজ করছেন। পর্দার আড়ালে কাজ করার আক্ষেপ সম্পর্কে কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার ফারহানা পারভীনের সাথে।

আনোয়ার শাহীর নাম ছিল আনোয়ার হোসেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে বিভিন্ন মঞ্চে নাম ঘোষণা করা হলে অনেকেই অপেক্ষায় থাকতেন তখনকার প্রতিষ্ঠিত অভিনয় শিল্পী আনোয়ার হোসেনের।

বিষয়টি আনোয়ার শাহীর জন্য ছিল বিব্রতকর।

পরে সিদ্ধান্ত নেন নাম পরিবর্তনের। জন্মস্থান রাজশাহীর শাহী যোগ করেন নামের সাথে।

১৯৯৫ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি সিনেমায় ডাবিং করেছেন তিনি।

প্রবীণ , নবীন অনেক অভিনেতা থেকে শুরু করে হালের শাকিব খানের ডাবিং করেছেন তিনি।

আনোয়ার শাহী বলছিলেন এই পেশার আক্ষেপের জায়গা একটা, সেটা হল কোন স্বীকৃতি নেই।

"সিনেমার টাইটেলে আপনার কোন নাম যাবে না" কিছুটা আক্ষেপ করে বলছিলেন "ডাবিং করা অনেক সিনেমা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে কিন্তু ডাবিং শিল্পীর কোন ক্যাটাগরি নেই সেখানে"।

ডাবিং শিল্পী হতে হলে আগে তাকে অভিনয়টা জানতে হবে।

একই সাথে যে শিল্পীর হয়ে গলা দেবেন তার কথা, আচরণ সব গভীর পর্যবেক্ষণ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

বেশ কয়েকটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন তিনি।

আনোয়ার শাহীর পরিবারে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।