মাঠে ময়দানে
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

ইউরোপা লিগের গুরুত্ব কি বেড়ে যাচ্ছে?

  • ৮ মে ২০১৭

সারা দুনিয়ায় ক্লাব ফুটবলের সেরা আসর হচ্ছে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ - এটা সবাই জানেন।

কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রতিবছর যে ক্লাবগুলো সুযোগ পায়না তারা খেলে ইউরোপা লিগে।

কিছুদিন আগেও ইউরোপা লিগ নিয়ে অনেকেই নাক সিঁটকাতেন । কারণ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সুযোগ না পাওয়ারাই এখানে খেলে।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, বা লিভারপুলের মত ইউরোপা লিগ খেলছে এটা অনেকের চোখে প্রায় অপমানজনক ব্যাপার।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ইউরোপা লিগে এমন অনেক ক্লাবই খেলে যারা অতীতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে। রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান, এটলেটিকো মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখ, লিভারপুল, বা চেলসি এরা সবাই ইউরোপা লিগ খেলেছে এবং শিরোপা জিতেছে।

ছবির কপিরাইট Jamie McDonald
Image caption ইউরোপা লিগ জিতেছে চেলসি-ও

এমন তো প্রায়ই হয়, এক বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার পর অনেক ক্লাবকেই আর অনেক দিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বা ইউরোপা লিগেও সুযোগ পায় না।

ইউরোপের প্রধান লিগগুলোতে প্রথম ৬টি দলের মধ্যে থাকতে না পারলে ইউরোপা লিগে খেলার সুযোগ মিলবে না। তাই এটা তেমন সহজ কাজ নয়।

কিন্তু ২০১৪ সালে নিয়ম করা হয় - ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন দল পরের বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার সুযোগ পাবে। তার পর দেখা্ যাচ্ছে বিভিন্ন লিগের পাঁচ বা ছ নম্বরে থাকা দলগুলোও ইউরোপা লিগকে গুরুত্বের সাথে নিতে শুরু করেছে ।

কারণ এর ফলে তাদেরও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ মিলে যেতে পারে।

ছবির কপিরাইট David Ramos
Image caption ইউরোপা লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়া

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মানেজার জোসে মুরিনিও পরিষ্কার করেই বলেছেন, এবার লিগে পয়েন্ট তালিকায় পিছিয়ে পড়ার ফলে এখন তার লক্ষ্য হচ্ছে ইউরোপা লিগ জেতা - যাতে পরের বছর ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে পারে।

হয়তো নতুন নিয়মের পর ইউরোপের অনেক ক্লাবই এভাবে ভাবতে শুরু করেছে।

তার মানে কি ইউরোপা লিগের গুরুত্ব বেড়ে যাচ্ছে?

এরই বিশ্লেষণ করেছেন লন্ডনে ফুটবল বিশ্লেষক মিহির বোস।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ব্রায়ান লারা

টেস্ট ম্যাচ ড্র হওয়া বন্ধ করুন, বলছেন লারা

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সাবেক কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক ব্রায়ান লারা বলেছেন, টেস্ট ক্রিকেটে যে ভাবে দর্শক কমে যাচ্ছে তা ঠেকানোর একটা উপায় হচ্ছে কোন টেস্ট ম্যাচ যেন ড্র হতে না পারে তা ঠেকানো।

বিবিসিকে দেযা এক সাক্ষাতকারে তিনি বলছেন, আমাকে আমেরিকানরা প্রশ্ন করে - একটা খেলা পাঁচদিন ধরে খেলার পরও সেটা ড্র হয় কি করে?

তার কথা, টেস্ট ম্যাচ ড্র হওয়া বন্ধ করা হোক। যদি খেলায় ফলাফল হয় তাহলে মাঠে দর্শক আসা বাড়বে।

তিনি বলছেন, ৯০ ওভার করে প্রতি ইনিংস খেলা, স্পোর্টিং উইকেট তৈরি এরকম কিছু উপায় পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে।

টেস্ট ক্রিকেটে দর্শক ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক দিন ধরেই নানা ভাবনা চলছে। এর মধ্যে গোলাপি বল, দিন-রাতের টেস্ট, বোলার সহায়ক উইকেট - অনেক কিছুই পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।

দেখার বিষয়, ব্রায়ান লারার এই পরামর্শ ক্রিকেট কর্তারা কতটা বিবেচান করেন।

সম্পর্কিত বিষয়