ঘূর্ণিঝড় 'মোরা' এগিয়ে আসছে, উপকূলে ব্যাপক প্রস্তুতি

  • ২৯ মে ২০১৭
ছবির কপিরাইট BANGLADESH MET OFFICE
Image caption ঘূর্ণিঝড় 'মোরা'-এর গতিপথ

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলের দিকে অগ্রসরমান ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করার পর উপকূলের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং করে মানুষজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেয়া হয়েছে 'মোরা' ।

মঙ্গলবার সকালে এ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এক সভা শেষ জানানো হয়েছে, সে জেলায় ৫৩৮টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, প্রয়োজন হলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্র সরিয়ে আনার প্রস্তুতি রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী কক্সবাজারের সাগর তীরবর্তী ।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের আশংকায় তারা বিভিন্ন ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

এদিকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করার পর চট্টগ্রাম বন্দরে মালামাল উঠা-নামা বন্ধ রয়েছে। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী এবং চাঁদপুর অঞ্চলের দ্বীপ এবং চর সমূহ সাত নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ৬২ কিলোমিটার। দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে এটি ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।