কক্সবাজারের ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোরা

  • ৩০ মে ২০১৭
ছবির কপিরাইট Bangladesh Meteorological Department
Image caption ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ।

ঘূর্ণিঝড় মোরা বাংলাদেশের কক্সবাজার উপকূলের দেড়'শ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ঘূর্ণিঝড়টির দূরত্ব ২৩০ কিলোমিটার।

আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টির বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল অতিক্রম করার কথা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ, শাহপরীর দ্বীপ এবং টেকনাফে গভীর রাত থেকেই ঝড়ো হাওয়া বইছে।

বেড়িবাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ করে শাহপরীর দ্বীপ, মহেশখালী এবং কক্সবাজারের কিছু নিম্নাঞ্চল এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ। এসব বেড়িবাঁধের অনেকগুলোই গতবছর ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তারা জেলার ৫৩৮ টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

থমথমে আবহাওয়া এবং এখনো ঝড়ো হাওয়া না থাকায় উপকূলীয় এলাকার অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চাইছিলেন না বলে জানান কক্সবাজারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, তাদেরকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বলবত রেখেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় মোরার কেন্দ্র থেকে ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে এখনো বাতাসের গতিবেগ ৮৯ থেকে ১১৭ কিলোমিটার রয়েছে।

উপকূলে আঘাত হানার সময় এই গতিবেগ বাড়তে বা কমতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় মোরা: আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছে মানুষ, বন্ধ থাকবে বিমানবন্দর