যে কারণে সংকটে পড়বে কাতারের পারফিউম ব্যবসা

কাতার ছবির কপিরাইট AFP/GETTY IMAGES
Image caption কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী শরিফুল হক সাজু গত ১৮ বছর যাবত কাতারের রাজধানী দোহায় ব্যবসা করছেন।

দুবাই থেকে পারফিউম আমদানি করে কাতারে তিনি বিক্রি করেন। পারফিউমের এ ব্যবসা ভালোই চলছিল মি: সাজুর।

প্রতিবছর রমজান মাসে পারফিউম বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি।

কাতারের সাথে সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক ছিন্ন করার কারণে এবার বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশের এ ব্যবসায়ী।

এসব দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার কারণে পণ্য আমদানি নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন তিনি।

মি: সাজু বলেন, "দুবাইতে বিভিন্ন দেশ থেকে পারফিউম আসে। সেখান থেকে আমরা আমদানি করি। আমি যখন দুবাইতে কথা বললাম, তখন তারা জানালেন পারফিউম যাবে না"

কারণ দুবাই থেকে কাতারে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে। যদি এভাবে পণ্য না আসে তাহলে সেটি কাতারের মানুষের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মি: সাজু উল্লেখ করেন। সোমবার থেকে কাতারে স্থল পথে পণ্য আমদানি বন্ধ রয়েছে।

"আমাদের এখানে ( কাতারের দোহায়) সৌদি কাস্টমার অনেক। সড়ক পথে সৌদি আরবের সাথে আমাদের বর্ডার। সৌদি আরবের অনেক নাগরিক দোহা সিটি থেকে শপিং করে," বলছিলেন মি: সাজু।

সৌদি আরব থেকে ক্রেতা আসলে দোহা শহরে ব্যবসা ভালো হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সৌদি আরব এবং কাতার মিলে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করবে।

মি: সাজু আশংকা করছেন, বর্তমান অচলাবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে পারফিউম ব্যবসায়ীরা।

কারণ সৌদি আরব, ফ্রান্স এবং আরব আমিরাতে পারফিউম শিল্প গড়ে উঠেছে।

ফলে সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত থেকে যদি সড়ক পথে পারফিউম আমদানি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেটি ব্যবসার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি জানান, সোমবার দুপুর থেকেই সড়ক পথে পারফিউম আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।

আরো পড়ুন :

ইসরায়েলের কাছে আরবরা কেন পরাজিত হয়েছিল?

কাতার সম্পর্কে পাঁচটি বিস্ময়কর তথ্য