ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করা হয়েছে: পরিবার

ফরহাদ মজহার ছবির কপিরাইট বিবিসি
Image caption ফরহাদ মজহার

কবি, কলামিস্ট, প্রবন্ধকার এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহারকে সোমবার ভোর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

ঢাকার শ্যামলীর নিজের বাসা থেকে ভোর পাঁচটার দিকে একটা ফোন পেয়ে বের হয়ে যান ফরহাদ মজহার।

মি. মজহারের স্ত্রী ফরিদা আখতার দুপুরে বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন একটি ফোন পেয়ে তিনি বের হয়ে যান।

তাঁদের পারিবারিক বন্ধু রেজাউর রহমান লেনিন বলছিলেন পরে বেশ কয়েক বার ফরহাদ মজহার ফোন করেছেন স্ত্রী ফরিদা আখতারের মোবাইলে।

"বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবার ২০ মিনিট পর প্রথম ফোনটা করেছেন ৫টা ২২ মিনিটে। সেই ফোনে সে ফরিদা আখতারকে বলে আমাকে বাঁচান, টাকাপয়সা রেডি করেন নাহলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে"।

"এরপরে দুপুর তিনটা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ফোন এসেছে ও ফরহাদ মজহার নিজেই কথা বলেছেন। শেষ যখন উনি কথা বলেন তখন জানতে চেয়েছেন টাকা পয়সা জোগাড় হয়েছে কিনা"।

পরিবার দাবী করছে অপহরণকারীরা ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছে ফরহাদ মজহারের কাছে। মি: মজহার তার পরিবারকে মুক্তিপণের এই অর্থের কথা জানিয়েছেন।

কিন্তু ওই সময় মি: মজহার ফোন করলেও তার আশপোশে যে লোক ছিল তা পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরেছেন।

এদিকে পুলিশ বলছে শ্যামলীর ঐ বাসার সিসিটিভি ফুটেজে তারা দেখেছেন মি: মজহার একা স্বাভাবিকভাবেই বাসা থেকে বের হয়ে যান।

তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার বিপ্লব সরকার বিবিসিকে বলেন, এরপর কী ঘটেছে সেটা তাদের কাছে এখনো রহস্য।

"এ রহস্য উদঘাটনের জন্য আমরা সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছি। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তাও নিচ্ছি। এর বেশি কিছু এখন বলা সম্ভব না"।

অপহরণ করা হয়েছে এমন তথ্য দিয়ে আদাবর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে।

মি: মজহার লেখক, কলামিস্ট। রাজনৈতিক বিশ্বেষক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে সরকারের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

আরো পড়তে পারেন:

মাথার খুলি দিয়ে নির্মিত ভবনের সন্ধান মিললো মেক্সিকোতে

আরবদের হটিয়ে যেভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল

বাদশাহকে সৃষ্টিকর্তার সাথে তুলনা করায় সৌদি লেখক বরখাস্ত

'মার্কিন নারীরা বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে একা খেতে চান না'

সম্পর্কিত বিষয়