নাইজেরিয়ায় জঙ্গী গোষ্ঠী বোকো হারামের হামলায় নিহত অন্তত ৪০

২০০৯ সালে বোকো হারাম দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ছবির কপিরাইট AFP
Image caption ২০০৯ সালে বোকো হারাম দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।

নাইজেরিয়ায় একটি তেল অনুসন্ধানকারী দলের ওপর জঙ্গী গোষ্ঠী বোকো হারামের অতর্কিত হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হামলার ঘটনাটি ঘটে যখন মাইডুগুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের তেল অনুসন্ধানকারী দলটি শহরে ফিরে আসছিল। যদিও মঙ্গলবার ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো পুরোপুরো স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রহরায় সুরক্ষিতভাবে কাজ করছিল অনুসন্ধানকারী দলটি। এমন অবস্থাতেও অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গী গোষ্ঠী বোকো হারাম।

মাইডুগুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মূল অনুসন্ধানকারী দলের অন্তত ৫জন নিহত হয়েছে এই হামলায়। যাদের মধ্যে ২জন বিশেষজ্ঞ এবং একজন গাড়ির চালক রয়েছে। বাকিরা সবাই সেনাসদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবক।

যদিও সেনাবাহিনীর দাবি হামলার পর সবাইকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র দানি মাম্মান বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছেন যে, সেনাবাহিনী যখন তাদের উদ্ধার তৎপরতার কথা জানিয়েছিল তখন তারা আশ্বস্ত হয়েছিল।

কিন্তু একদিন পর যখন ৪জনের মরদেহ সেনাবাহিনী তাদের কাছে এনে দেয় তখন তারা বুঝতে পারে যে এটিকে ঠিক উদ্ধার বলা যায় না। এখনো দলটির অনেকেই নিখোঁজ বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

বিবিসির সূত্রমতে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কেননা এখনো আরো মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে নাইজেরিয়া সরকার এই নিষিদ্ধ ঘোষিত বোকো হারাম গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনা তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

২০০৯ সালে বোকো হারাম দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণার পর থেকে সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজার হাজার অপহৃত হয়েছে।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

বাংলাদেশে কী সময় এসেছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের?

চীন-ভারত সংকটে সমাধানের পথ কী?

পাকিস্তানে সালিশে ভাইয়ের অপরাধে বোনকে ধর্ষণ

অ্যান্টিবায়েটিকের কোর্স কি শেষ করা উচিত?