বার্সেলোনার পর স্পেনের ক্যামব্রিলস শহরে একইধরনের হামলা

ক্যামব্রিলসের হামলায় ব্যবহৃত গাড়িটি উল্টে গেলে আরোহীদের পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। ছবির কপিরাইট AFP
Image caption ক্যামব্রিলসের হামলায় ব্যবহৃত গাড়িটি উল্টে গেলে আরোহীদের পুলিশ গুলি করে হত্যা করে।

বার্সেলোনা শহরে সন্ত্রাসী আক্রমণে নিহতের সংখ্যা এখন ১৪ তে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি রাস্তায় লোকজনের ওপর ভ্যান চালিয়ে দেবার ঘটনায় ১৩ হন নিহত হবার পর আজ শুক্রবার ক্যামব্রিলস শহরে একইভাবে আরেকটি গাড়ি জনতার ওপর উঠিয়ে দেয়া হলে একজন নিহত হয়েছে।

পুলিশ ওই গাড়িতে থাকা পাঁচজন লোককে গুলি করে হত্যা করেছে।

বার্সেলোনা এবং ক্যামব্রিলস - এই দুই শহরে দুটি সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণে আজ শুক্রবার শোক প্রকাশ করতে হাজার হাজার লোকর সমাগম হয়।

স্পেনের রাজা ও অন্যান্য জাতীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এক মিনিটের নীরবতা পালন পরিচালনা করেন।

এরপর জনতা 'আমরা ভীত নই' বলে শ্লোগান দেয়।

প্রথম আক্রমণটি ঘটে বৃহস্পতিবার বার্সেলোনা লাস রাম্বলাস-এ। সেখানে কেনাকাটা করতে আসা লোকজনের ওপর একটি ভ্যান তুলে দেয়া হলে ১৩ জন নিহত এবং বহু আহত হয়।

পুলিশ বলছে ১৮ বছর বয়স্ক মরোক্কান বংশোদ্ভূত মুসা ওকাবির এ ঘটনা ঘটায়। সে এখনো পলাতক এবং তাকে ধরতে পুলিশী অনুসন্ধান চলছে।

বলা হচ্ছে মুসা ওকাবির তার ভাইয়ের কাগজপত্র ব্যবহার করে ওই ভ্যানটি ভাড়া করেছিল।

ছবির কপিরাইট .
Image caption মুসা ওবাকির ছবি স্পেনের গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

অন্য দিকে শুক্রবার সকালে ক্যামব্রিলস শহরেও একইভাবে জনতার ওপর গাড়ি চালিয়ে দিলে আহত একজন মহিলার মৃত্যু হয়।

এর পর গাড়িটি উল্টে গেলে তার আরোহী পাঁচজন লোককে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহোই একে জিহাদি আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন।

অন্যদিকে ইসলামিক স্টেট বলেছে তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

এছাড়াও পুলিশ বলছে, বুধবার রাতে এক শক্তিশালী বিস্ফোরণে একটি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যাবার ঘটনার সাথেও এই দুই আক্রমণের সম্পর্ক আছে।

পুলিশ বলছে বার্সেলোনা ও ক্যামব্রিলস হামলার সন্দেহভাজনরা আরও বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিল।

সম্পর্কিত বিষয়