নৌকা ডুবে ১৭জন রোহিঙ্গা নারী ও শিশু নিহত

অনেকে এসে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশের সীমান্তে
Image caption অনেকে এসে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশের সীমান্তে

নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টার সময় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের কাছে একটি নৌকা ডুবে গেলে ১৭ জন নিহত হয়।

এরা সবাই মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নারী ও শিশু বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে। নিহতদের মধ্যে ১০ জন শিশু এবং সাত জন নারী রয়েছেন।

টেকনাফ থেকে বিবিসির সংবাদদাতা মীর সাব্বির জানিয়েছেন আজ বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়। এর আগে বুধবার ছয় জনের মরদেহ পাওয়া গিয়েছিল।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সে দেশের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা, নির্যাতন এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অনেকেই বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করেছে।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিজিবি সীমান্তে কড়াকড়ি বজায় রাখলেও অনেক রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

গত শুক্রবার থেকেই বাংলাদেশের ভেতরে রোহিঙ্গাদের আসার প্রবণতা বাড়তে থাকে।

এর আগে গত বছরের শেষের দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী দমন-পীড়ন শুরুর পর হাজার-হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান সে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসে।

জাতিসংঘের হিসেবে সে সময় ৭০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছিল।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বা আইওএম বলছে গত এক সপ্তাহে মিয়ানমার থেকে প্রায় ১৮ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান সে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে।

আইএসের কাছ থেকে পালিয়ে এসে পাপমুক্তির চেষ্টা দুই তরুণীর

রোহিঙ্গা নারীরা জানেন না স্বামী-সন্তানরা কোথায়

এক সপ্তাহে ১৮ হজার রোহিঙ্গা এসেছে বাংলাদেশে