মাঠে ময়দানে
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

শুরু হচ্ছে এ্যাশেজ সিরিজ, আর টি২০ ক্রিকেট কি আমেরিকায় চলবে?

আর কদিন পরই শুরু হচ্ছে এ্যাশেজ সিরিজ - ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরোনো আর ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

আগামি ২৩শে নভেম্বর ব্রিসবেনে শুরু হচ্ছে প্রথম টেস্ট।

এই টেস্ট সিরিজে কেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে?

এ নিয়ে ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট থেকে শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান কিংবদন্তী ভিভ রিচার্ডস কি বলছেন, শুনুন এবারের মাঠে ময়দানেতে।

ছবির কপিরাইট আলি জি
Image caption এ্যাশেজ হচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা

যুক্তরাষ্ট্রে কি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়ছে?

ক্রিকেট খেলা কি জিনিস তা এখনো বেশির ভাগ আমেরিকানই জানেন না। তাদের আসল প্রিয় খেলা আমেরিকান ফুটবল, বেসবল আর বাস্কেটবল। আমেরিকার বাইরে সারা দুনিয়ার লোক যাকে ফুটবল বলেন, তাকে আমেরিকানরা বলে 'সকার'। অবশ্য আমেরিকাতে এই সকার বা ফুটবলের বেশ জনপ্রিয়তা আছে।

কিন্ত ক্রিকেট? কিছুদিন পর্যন্তও ধরা হতো যে আমেরিকায় ক্রিকেটের কোন ভবিষ্যত নেই।

তবে পরিস্থিতিটা আস্তে আস্তে বদলাচ্ছে - এ কথা অনেকেই বলছেন।

এর দুটি কারণ। একটি হলো, গত দু'দশকে যুক্তরাষ্ট্রে এশিয়ার - বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ার অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে, এবং তারা সাথে করে আমেরিকার মাটিতে নিয়ে এসেছেন ক্রিকেট খেলা।

দ্বিতীয় কারণ : টি২০র উত্থান । ক্রিকেট খেলা এখন কার্যত: তিন ঘন্টার খেলায় পরিণত হতে চলেছে। এ নিয়ে ক্রিকেটের 'ক্লাসিসিস্টরা' যতই নাক সিঁটকান না কেন - অনেকেই মনে করেন যে আমেরিকানরা এই রঙিন, চটজলদি তিন ঘন্টার ক্রিকেটকে পছন্দ করবেন।

কারণ আমেরিকানদের কাছে টেস্ট ক্রিকেট জিনিসটা এক বিরাট ধাঁধাঁ। একটা খেলা কি করে পাঁচ দিন ধরে চলে, তার পরও তা আবার ড্র হয় - এটা লোকে কি করে দেখে তা তারা কিছুতেই বুঝতে বা মানতে পারেন না।

ছবির কপিরাইট আলি জি
Image caption মেরিল্যান্ডে একটি ক্রিকেট ম্যাচ

সুতরাং টেস্ট ক্রিকেট আমেরিকায় চলবে না, এটা অনেক আগেই বোঝা হয়ে গেছে।

কিন্তু টি২০? না, এটার হয়তো একটা সম্ভাবনা থাকলেও থাকতে পারে। কেন?

ভুলে যাবেন না, আমেরিকায় অনেক রাজ্যে - বিশেষ করে যেসব অঙ্গরাজ্যে আবহাওয়া গরম - সেখানে প্রায় সারা বছরই ক্রিকেট খেলা হয়।

ছবির কপিরাইট আলি জি
Image caption মেরিল্যান্ডে একটি ক্রিকেট দল

বিবিসির ওয়েন এ্যামোস এক রিপোর্টে জানাচ্ছেন, ওয়াশিংটনে ক্রিকেট লিগে ৪২টা দল খেলে। আরেকটি লিগ হচ্ছে ওয়াশিংটন মেট্রোপলিটান ক্রিকেট লিগ - যাতে খেলে ১৮টি দল।

আইসিসির এক হিসেবে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেট দল আছে ৬ হাজার। ৪৪টি রাজ্যে লিগ আছে ৪৫০টি, খেলোয়াড় আছে ২ লাখ।

তবে যারা ক্রিকেট খেলেন তারা অধিকাংশই এশিয়ান বা ক্যারিবিয়ান বংশোদ্ভূত।

ছবির কপিরাইট পিএ
Image caption মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেট

তবে টি২০ ক্রিকেট এমন একটা খেলা - যা হয়তো শেষ পর্যন্ত সাধারণ শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের ক্রিকেটের প্রতি আকৃষ্ট করতে পারে।

কিন্তু সেটা কি সত্যিই সম্ভব হবে?

টি২০ ক্রিকেট কি কখনো আমেরিকার প্রধান খেলাগুলোর পাশাপাশি একটা জনপ্রিয়তা পেতে পারবে?

এ নিয়েই মাঠে ময়দানেতে কথা বলেছেন আমেরিকা প্রবাসী সাবেক বাংলাদেশী ক্রিকেটার সাজিদ হাসান। তিনি নিউইয়র্ক এবং ফ্লোরিডায় ক্রিকেট খেলেছেন।

তার কথা, পরিস্থিতিটা পাল্টাচ্ছে। এখন একটু একটু করে শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানরাও ক্রিকেট খেলা নিয়ে আগ্রহ দেথাচ্ছে।

সাজিদ হাসানের সাক্ষাৎকার শুনবেন এবারের মাঠে ময়দানেতে।

সম্পর্কিত বিষয়