ব্রিটেনের নির্বাচনে বাংলাদেশী ভোট?

ইউজ আ ইউকে ভোট-এর সংবাদ সম্মেলন

ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও ঘানার মানুষ কী প্রত্যাশা করছেন সেটি তুলে ধরার জন্য এক প্রচারাভিযান শুরু করেছে ইউজ আ ইউকে ভোট নামের একটি সংগঠন।

গিভ ইওর ভোট, বা আপনার ভোট দিন, এই শিরোনামে প্রচারাভিযানের মাধ্যমে এই তিনটি দেশের মানুষ ব্রিটেনের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রশ্ন করতে পারবেন বলে আয়োজকরা বলছেন।

ইউজ আ ইউকে ভোট নামের সংগঠনটি যে প্রচার কাজ শুরু করেছে তার মূল লক্ষ্য হচ্ছে এ তিনটি দেশের মানুষ যাতে ব্রিটেনের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রশ্ন বা মতামত তুলে ধরতে পারেন। সংস্থাটির ওয়েবসাইট কিংবা সংশ্লিষ্ট দেশের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এই প্রশ্ন বা মতামত তুলে ধরা যাবে।

জলবায়ু পরিবর্তন কিংবা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নীতি কী হবে বাংলাদেশ সেটি জানার জন্য প্রশ্ন করা যাবে বলে প্রচারাভিযানের সাথে জড়িত কর্মীরা বলছেন।

ইউজ আ ইউকে ভোট-এর পক্ষে বাংলাদেশে কাজ করছেন মোস্তফা কামাল আকন্দ । তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন এ প্রচারাভিযান কিভাবে কাজ করবে: প্রতীকি ভোটের মাধ্যমে কোন দলের প্রতি অংশগ্রহনকারীদের সমর্থন বেশি সেটি জানা যাবে৻ এর অংশ হিসেবে ব্রিটেনে যে প্রচারাভিযান চলছে সেখানে কিছু ভোটার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনটি দেশে প্রতীকি ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে তারা ব্রিটেনের নির্বাচনে ভোট দেবেন।

কিন্তু প্রচারাভিযানের জন্য বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও ঘানাকে কেন বেছে নেয়া হলো?

ইউজ আ ইউকে ভোট-এর একজন কর্মী ক্লেমি জেইন্স বলেন, ব্রিটেনের সাথে ঘানার বাণিজ্যিক সমস্যা আছে কারণ ব্রিটেন ঘানার বাণিজ্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

অন্যদিকে আফগানিস্তানে ব্রিটেন যুদ্ধ করছে। আফগানিস্তানের মানুষ এই যুদ্ধ চায় কি চায় না সেটি তাদের কাছ সেটি জানা যাবে বলে তিনি জানান৻

আর বাংলাদেশের সাথে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার বিষয়টি। তার সাথে বাংলাদেশ থেকে ব্রিটেনে অভিবাসনের ইস্যুটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মিস জেইন্স উল্লেখ করেন৻

তিনি বলেন, এই তিনটি দেশের সাথে যে বিষয়গুলো জড়িত তার সবগুলোই বৈশ্বিক এবং এজন্যই এ তিনটি দেশকে বেছে নেয়া হয়েছে।

আয়োজকরা বলছেন, ব্রিটেনের শাসক লেবার পার্টি, বিরোধী দুটি রাজনৈতিক দল -- কনজারভেটিভ পার্টি ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি -- ব্রিটেনের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে প্রশ্ন পাঠানো হবে।

মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, গণতন্ত্র যেখানে বৈশ্বিক রূপ নিয়েছে সেখানে ইউরোপ বা আমেরিকায় নির্বাচন এখন আর সেই সব দেশের নিজস্ব কোন বিষয় নয়৻

কিন্তু ব্রিটেনের রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে এই প্রচারাভিযান থেকে পাওয়া প্রশ্নের কতটা গুরুত্ব থাকবে? মিস জেইন্সকে এ‘প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ব্রিটেনে একটি পদ্ধতি আছে যেখানে একজন ভোটার প্রার্থীকে যে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন৻ এটি একটি প্রচলিত রীতি এবং আশা করা হয় যে প্রার্থীরা সেই প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও ঘানা থেকে যে প্রশ্ন পাওয়া যাবে সেখান থেকে নির্বাচিত কিছু প্রশ্ন ব্রিটেনের ভোটাররা তাদের প্রার্থীর কাছে তুলে ধরবেন বলে তিনি জানান৻

আয়োজকরা বলছেন ব্রিটেনের রাজনৈতিক দল ও নেতাদের অবশ্যই অনুধাবন করা উচিত যে তাদের নীতি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে প্রভাবিত করে।

এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে সে উদ্দেশ্য সফল হবে বলে তারা আশা করছেন।

সর্বশেষ সংবাদ

অডিও খবর

ছবিতে সংবাদ

বিশেষ আয়োজন

BBC navigation

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻