স্পটফিক্সিং সন্দেহে বিদেশী আটক

BPL

বিপিএল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের খেলা নিয়ে স্পটফিক্সিংএর সন্দেহে ঢাকায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে আজ একজন পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেফতার করে তাকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ৻

ওই পাকিস্তানি নাগরিকের নাম সাজিদ খান এবং তিনি জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্পট ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ ।

রোববার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের চিটাগাং কিংস এবং বরিশাল বার্নার্সের মধ্যকার খেলা চলাকালে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে এই পাকিস্তানী নাগরিককে আটক করে নিরাপত্তাকর্মীরা। এরপরই তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয় এবং রাতেই বিসিবির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত সাজিদ খান পাকিস্তানের করাচীর বাসিন্দা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবির মুখপাত্র জালাল ইউনুস বলেন, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে গত বেশ কয়েকটি ম্যাচে তার ওপর নজর রাখছিলেন বিসিবির নিরাপত্তাকর্মীরা।

সাজিদ খানের মোবাইলের কললিস্টে বিপিএলে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন পাকিস্তানী খেলোয়াড়ের নম্বর এবং ব্যাংক একাউন্ট নম্বরও পাওয়া গিয়েছে

তদন্তকারী পুলিশের তথ্য

জালাল ইউনুস বলেন, "খেলোয়াড়দের বসার স্থানের আশেপাশে সে মোবাইল হাতে ঘোরাঘুরি করছিল এবং খেলোয়াড়দের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছিল। এসময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে আটক করে এবং উপস্থিত কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার মোবাইল ফোনে সন্দেহজনক কিছু বিষয় আমরা পেয়েছি।"

আটক সাজিদ খান বর্তমানে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাযতে রয়েছেন। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাইলে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

তার মোবাইল ফোনের কললিস্টে বিপিএলে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন পাকিস্তানী খেলোয়াড়ের মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক একাউন্ট নম্বরও পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ম্যাচ চলাকালীন কিছুক্ষণ পরপরই তিনি পাকিস্তানে কল করেছেন বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো: মাইনুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্পট ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এই পাকিস্তানী নাগরিক।

জিজ্ঞাসাবাদে স্পট ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এই পাকিস্তানী নাগরিক

মাইনুল ইসলাম, গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক

সাজিদ খান বাংলাদেশে আসেন ব্যাবসায়ী পরিচয়ে। কসমেটিকস এবং গার্মেন্টস ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা বললেও বাংলাদেশে আসার পর তার এধরণের কোন ব্যবসায়িক কর্মকান্ডের নজির পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

"তার ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোনে তিনি এমন কিছু খবর আদান প্রদান করেছেন, যা একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর করার কথা না।" বলেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক।

বিসিবির মুখপাত্র মি. ইউনুস বলেন, বিষয়টি আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগকে জানানো হয়েছে এবং এখন থেকে পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করে দেখবে।

বিপিএলে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠলো।

টুর্নামেন্ট শুরুর দিনেই ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের খেলোয়াড় মাশরাফি বিন মুর্তজা জানিয়েছিলেন যে, তিনি অপর একজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে স্পটি ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন। এবিষয়ে বিসিবির একটি তদন্তকাজ এর মধ্যেই শেষ হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরপরই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

সর্বশেষ সংবাদ

অডিও খবর

ছবিতে সংবাদ

বিশেষ আয়োজন

BBC navigation

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻