মাউন্টেন বাইকার জুলিয়েন আবসালঁর ডায়েরি

 Julien_biker ছবির কপিরাইট

২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ : প্রশিক্ষণের সময় আঘাত পেয়ে এবার আবসালঁ-র মরশুমটাই শুরু হচ্ছে দেরিতে – দুবারের অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী এই সাইক্লিস্ট এ মাসে মার্সেইতে গ্রঁ প্রি জঁ মসে-তে অংশ নিতে পারলেন না।

ট্রেনিংয়ের সময় একটা পাথুরে রাস্তায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে আবসালঁ-র বাইকের, মাটিতে ছিটকে পড়ে ডান হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান তিনি।

ফলে তাঁকে এখন মরশুম শুরু করতে হবে মার্চে কোপা কাতালানা ইন্টারন্যাশনালে, যেটা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বেনিওলসে।

আবসালঁ-র কথায়, ‘দুর্ঘটনাটা আরও সাঙ্ঘাতিক হতে পারত। ফুলে ওঠা হাঁটুটা অবশ্য দ্রুত সেরে উঠছে, তবে আঙুলটা পুরোপুরি সারতে আরও সময় লাগবে।’

৩রা সেপ্টেম্বর ২০১১ : সুইটজারল্যান্ডের শ্যাম্পেরিতে মাউন্টেন বাইকের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদক জিতলেন জুলিয়েন আবসালঁ।

প্রতিযোগিতার সময় গাছের একটা শেকড়ে ধাক্কা খেয়ে ট্র্যাক থেকে ছিটকে পড়েছিলেন আবসালঁ, তাতেই অনেকটা পিছিয়ে পড়েন তিনি। চ্যাম্পিয়ন জারোস্লাভ কুলহাভির থেকে ১ মিনিট ২৬ সেকেন্ড পেছনে শেষ করেন তিনি।

আবসালঁ-র কথায়, ‘এরকম দুর্ঘটনা অবশ্য ঘটতেই পারে। আর এরকম ধাক্কা একটা লেগে গেলে তাড়া করা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ... তবু আমি অনেক ঝুঁকি নিয়েছিলাম।’

২০শে আগস্ট ২০১১ : এ বছরের ক্রসকান্ট্রি মাউন্টেন বাইকের বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে তিন নম্বরে শেষ করলেন জুলিয়েন আবসালঁ।

ইতালির ভাল দি সোলে প্রতিযোগিতার শেষ রাউন্ডে তিনি চার নম্বরে আসেন, আর এর ঠিক এক সপ্তাহ আগে চেক প্রজাতন্ত্রের নোভ মেস্টো না মোরাভে-তে শেষ করেন তৃতীয় স্থানে।

প্রতিযোগিতার মোট সাতটি রাউন্ডের মধ্যে পাঁচটিতেই জিতে পুরো সিরিজে বিজয়ী হন জারোস্লাভ কুলহাভি।

ছবির কপিরাইট
Image caption জুলিয়েন আবসালঁ

৭ই আগস্ট ২০১১ : ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১১-তে রৌপ্য পদক জিতলেন জুলিয়েন আবসালঁ। স্লোভাকিয়াতে অনুষ্ঠিত ওই রেসে তিনি শেষ করেন চেক প্রজাতন্ত্রের জারোস্লাভ কুলহাভির ঠিক ২৪ সেকেন্ড পেছনে।

৩১ জুলাই ২০১১ : এসেক্সের হ্যাডলে ফার্ম। এখানকার সার্কিটটা নিয়ে আবসালঁ বলছিলেন, ‘এটা টেকনিক্যাল আর শারীরিক, দুদিক থেকেই বেশ কঠিন ট্র্যাক।’

তার কারণ বেশির ভাগ সময়ই সিঙ্গল ট্র্যাকে রেস করতে হয়, ফলে কাউকে টপকে যাওয়াটা খুব কঠিন।

তবে এবারের রেসে ফরাসি এই বাইকারকে অবশ্য সে কষ্টটা করতে হয়নি – কারণ পুরো ট্র্যাকটা তিনি অনায়াসে শেষ করেন ১ ঘন্টা ৩১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থেকে।

২৯ মে ২০১১ : টানা পাঁচ বছরের মতো আবারও জার্মানিতে অফেনবার্গ বিশ্বকাপ জিতে নিলেন জুলিয়েন আবসালঁ।

যে সাতটা রেস নিয়ে বিশ্বকাপ সিরিজ হয়, তার তিনটে শেষ হওয়ার পর জুলিয়েনই এখন সবার চেয়ে এগিয়ে রইলেন।

আবসালঁর কথায়, ‘বিশ্বকাপ জেতার জন্য আপনাকে রেস করতে নিখুঁতভাবে – কারণ এখানে পরস্পরের ব্যবধানটা খুব কম।’

২২ মে ২০১১ : আরও একবার দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলেন আবসালঁ – এবারে ইয়র্কশায়ারের ডালবি ফরেস্টে। সার্বিকভাবে বিশ্বকাপের স্ট্যান্ডিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে তাঁর অবস্থান আরও পাকাপোক্ত হল।

২৩শে এপ্রিল ২০১১ : দক্ষিণ আফ্রিকার পিটারমারিতজবার্গে শুরু হল নিনো শ্যুর্টার (ইউ সি আই), জুলিয়েন রেস শেষ করলেন দ্বিতীয় স্থানে।

৪ঠা জানুয়ারি ২০১১ : ষষ্ঠবারের মতো পাঠকদের ভোটে বর্ষসেরা পুরুষ মাউন্টেন বাইকার মনোনীত হলেন জুলিয়েন আবসালঁ।

২৮ নভেম্বর ২০১০ : বিশ্বের খেরাধুলোর জগতে সবচেয়ে কঠিনতম চ্যালেঞ্জগুলোর একটা – মেগা-অ্যাভালাঞ্চে চতুর্থ হলেন জুলিয়েন আবসালঁ।

পাহাড়ি উতরাইয়ের এই রেসে, যা ফরাসি-শাসিত রিইউনিয়ন দ্বীপের একটা আগ্নেয়গিরির ঢাল বেয়ে অনুষ্ঠিত হয়, জেতেন জুলিয়েনেরই ভাই রেমি।

৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০১০ : কানাডার কিবেকে যে ২০১০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ হল, জুলিয়েন তাতে কোনওক্রমে পঞ্চম স্থানে শেষ করলেন।

২৮শে আগস্ট ২০১০ : এ বছরের ক্রস-কান্ট্রি মাউন্টেন বাইক বিশ্বকাপে দ্বিতীয় স্থানে এলেন জুলিয়েন আবসালঁ।

৯ আগস্ট ২০১০ : ইউসিআই মাউন্টেন বাইক বিশ্বকাপের অষ্টম রাউন্ডে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করার পরও বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে সাবর চেয়ে এগিয়ে রইলেন জুলিয়েন আবসালঁ।