BBC navigation

সিরিয়ায় ঈদের জন্য শুক্রবার থেকে যুদ্ধবিরতি

সর্বশেষ আপডেট বৃহষ্পতিবার, 25 অক্টোবর, 2012 16:46 GMT 22:46 বাংলাদেশ সময়

সিরিয়ার সেনাবাহিনী আগামীকাল শুক্রবার হতে সোমবার পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে রাজী হয়েছে।

মুসলিম ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আজহার সময়টাতে এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলেন সিরিয়া বিষয়ক আন্তর্জাতিক দূত লাখদার ব্রাহিমি।

তবে সিরিয়ার আলেপ্পোতে আজকেও লড়াই চলেছে, বিদ্রোহীরা দাবি করছে তারা সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় সাফল্য পেয়েছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এই যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করে জানানো হয়, লাখদার ব্রাহিমির প্রস্তাব মেনে নিয়েই সরকার চারদিনের জন্য সংঘর্ষ বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে।

syria

ঈদ-উল-আজহার সময় সংক্ষিপ্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে, তবে সে সময় যদি বিদ্রোহীদের দিক থেকে কোনও আক্রমণ হয় তাহলে যে তার উপযুক্ত জবাব দিতে দ্বিধা করা হবে না - সেনাবাহিনীর দিক থেকে সে কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই অবশ্য এই যুদ্ধবিরতিতে আগেই সম্মতি দিয়েছে।

অল্প সময়ের জন্য হলেও দু'পক্ষই যে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতিতে রাজি হল, সেটাকে একটা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে - এবং জাতিসংঘের উপ মহাসচিব ইয়ান এলিয়াসন বলছেন এর মাধ্যমে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে আলোচনার দরজাও হয়তো খুলে যেতে পারে।

তিনি বলেন, সংঘর্ষে বিরতি দেওয়ার গুরুত্বটা কোথায়, এটা দুপক্ষই অনুধাবন করতে পারবে বলে আমাদের আশা - এবং এর মাধ্যমে হয়তো তারা এটাও প্রমাণ করতে পারবে সিরিয়ার মানুষের স্বার্থে তারা এই সঙ্কটের একটা শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। বন্দুক যখন স্তব্ধ হবে - তখন সিরিয়ার মানুষ হয়তো একটু অবকাশ পাবে এটা বোঝার যে এই যুদ্ধ তাদের কী বিরাট ক্ষতি করছে।

syria

কিন্তু তার চেয়েও যেটা গুরুত্বপূর্ণ, তখন হয়তো এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি হবে যখন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্ভব হলেও হতে পারে। হয়তো এই যুদ্ধবিরতির সময়েই লাখদার ব্রাহিমি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি করতে পারবেন।

এদিকে আগামিকাল থেকে এই যুদ্ধবিরতি বলবৎ হওয়ার আগে আজ দেশের দ্বিতীয় প্রধান শহর আলেপ্পোতে বিদ্রোহীরা সরকারের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আলেপ্পো থেকে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিরোধী আন্দোলনকারীরা বলছেন, শহরের দুটি খ্রীষ্টান-অধ্যুষিত এলাকায় যে সামরিক ছাউনি ছিল, সেখান থেকে ও লাগোয়া আর একটি কুর্দী মহল্লা থেকে সরকারি সেনাদের হঠিয়ে দিয়ে বিদ্রোহী যোদ্ধারা সেখানে অবস্থান নিয়েছে।

সেখানে এখনও সংঘর্ষ চলছে, তবে বিদ্রোহীরা সত্যিই যদি সেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে পারে সেটা তাদের জন্য বড় একটা জয় হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻