BBC navigation

রোহিঙ্গা শিবিরের বাজার থেকে বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট বৃহষ্পতিবার, 8 নভেম্বর, 2012 14:17 GMT 20:17 বাংলাদেশ সময়
bd_buddha_statue

রামুতে আক্রান্ত বৌদ্ধমন্দির

বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ বাহিনী র‍্যাব বলছে, কক্সবাজারের একটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বাজার থেকে তারা তিনটি বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার করেছে।

এক মাস আগে ওই জেলার রামু এবং উখিয়ায় বেশ কিছু বৌদ্ধ মন্দিরে সাম্প্রদায়িক হামলার সময়ই এই মূর্তিগুলো চুরি করা হয়েছিল বলে র‍্যাব নিশ্চিত হয়েছে।

বুধবার এই উদ্ধারের ঘটনা ঘটলেও বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বুদ্ধমূর্তি উদ্ধারের তথ্যটি প্রকাশ করে র‍্যাব।

কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের পাশের বাজারের একটি দোকান থেকে এই মূর্তিগুলো উদ্ধার করা হয়। যে দোকানে এগুলো পাওয়া যায়, তার মালিকও একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী।

র‍্যাবের কর্মকর্তা সারওয়ার-ই-আলম বিবিসিকে জানিয়েছেন, মুর্তিগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যেই দোকানটিতে রাখা হয়েছে, এরকম তথ্যের ভিত্তিতে তারা সেখানে অভিযান চালান।

মেজর আলম বলছিলেন, তারা গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাজারের একটি দোকানে লুট হওয়া কয়েকটি বৌদ্ধ মুর্তি রয়েছে। পরে তারা অভিযান চালিয়ে তিনটি মুর্তি উদ্ধার করেন।

"একটি চক্রের কিছু সদস্য রামু ও উখিয়ার বুদ্ধ মন্দিরে হামলার সময় এসব মুর্তি চুরি করে বিক্রির চেষ্টা করেছে।"

মেজর সারওয়ার-ই-আলম, র‍্যাব কর্মকর্তা

এই মুর্তিগুলো রামু ও উখিয়া থেকে চুরি যাওয়া মুর্তি বলেই দোকানের লোকেরা র‍্যাবের কাছে স্বীকার করেছে।

মি. আলম বলছেন, একটি চক্রের সদস্যরা রামু ও উখিয়ার বুদ্ধ মন্দিরে হামলার সময় এসব মুর্তি চুরি করে বিক্রির চেষ্টা করেছে। পিতলের তৈরি তিনটি বুদ্ধমূর্তির উচ্চতা ৫ থেকে ১২ সেন্টিমিটার এবং ওজন ১০৩ থেকে ৪৭৫ গ্রাম।

মেজর আলম জানিয়েছেন, তারা চুরির সাথে জড়িত আরো কয়েকজনের নাম পেয়েছেন এবং তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলছেন, এদের মধ্যে যেমন রোহিঙ্গারা রয়েছে, তেমনি কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিকও রয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, গতমাসের শেষের দিকে ঐ ঘটনায় চুরি যাওয়া অপর দুটি মুর্তি উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়ায় সে ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ বলছে, এ ব্যাপারে তারা দু'ব্যাক্তিকে আটক করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেসবুকে স্থানীয় এক ব্যক্তির প্রোফাইলে ট্যাগ করা কোরান অবমাননার একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ২৯ ও ৩০শে সেপ্টেম্বর রামুর বেশ কয়েকটি বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়।

ঐ হামলায় রোহিঙ্গারাও জড়িত ছিল বলে এর আগে অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻