BBC navigation

ফেসবুক নিয়ে সরকারি পরামর্শে নানা শংকা

সর্বশেষ আপডেট শুক্রবার, 23 নভেম্বর, 2012 15:13 GMT 21:13 বাংলাদেশ সময়

বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার নিয়ে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার পর সরকার নাগরিকদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

তবে সরকারের এই পরামর্শের মধ্যে অনেকে ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরোপের ইঙ্গিত দেখছেন।

বাংলাদেশে মূদ্রিত সংবাদপত্র বা রেডিও বা টেলিভিশনের মতো সম্প্রচার মাধ্যম বিষয়ে অনেক আইন রয়েছে। কিন্তু ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যম এই আইনের আওতায় আসে কিনা সেটা খুব স্পষ্ট নয়।

কেউ যদি ফেসবুক ব্যবহারে অসতর্ক হন এবং এর পরিণতিতে যদি কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে, সেটার দায়-দায়িত্ব কার?

বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতের রেগুলেটরি সংস্থা বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলছিলেন, অসাবধানতার কারনে কেউ সমস্যায় পড়ে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট শাখায় অভিযোগ করলে তারা সাহায্য করবেন। সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তি আইনের আশ্রয়ও নিতে পারেন।

গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, কম্পিউটারের মাধ্যমে বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংঘটিটত অপরাধ বিষয়ে বাংলাদেশে তিন-চারটি আইন আছে। যেমন বিটিআরসি আইন, আইসিটি আইন। এছাড়া বাংলাদেশ দন্ডবিধির আওতায়ও এ ধরণের অপরাধের বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকার চাওয়া যায়।

কিন্তু এসব আইনের আওতায় কি সরকার কী কারো বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে?

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি তানজিব উল আলম বলছিলেন এমন আশংকা আছে। তিনি আরও বলেন, সরকার যে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে দিয়ে যে বিবৃতি দিয়েছে, তার সঙ্গে বিদ্যমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অসামঞ্জস্য রয়েছে।

“বর্তমান আইনে যিনি কাজটা করবেন, তার শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। যিনি ভিকটিম তার শাস্তির কোন উল্লেখ নেই। কিন্তু সরকারের সরকারি তথ্য বিবরণীর কথা শুনে যেন মনে হচ্ছে, কাউকে যদি ফেসবুকে কোন কিছুতে ট্যাগ করা হয় এবং সেটা যদি তার ফেসবুক ওয়ালে চলে আসে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে,তিনিও বিপদে পড়তে পারেন।”

তবে বিটিআরসির কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দীন আহমেদ বলেন, বাক স্বাধীনতার রুদ্ধ হওয়ার কোন আশংকা তিনি দেখছেন না।

“মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার থাকবে, সরকারের সমালোচনার অধিকারও সবার থাকবে। এ পথে কেউ চিন্তাও করছে না। তবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেমন আছে, তেমনি এটাও মনে রাখতে হবে কেউ যেন এমন কিছু না করেন যা বাংলাদেশের প্রচলিত মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত না করে।”

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻