BBC navigation

সরকার বলছে বিশ্বজিতের খুনীরা জামায়াত-শিবির সদস্য

সর্বশেষ আপডেট বৃহষ্পতিবার, 13 ডিসেম্বর, 2012 17:38 GMT 23:38 বাংলাদেশ সময়
biswajit killing

অবরোধের সময় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় বিশ্বজিত দাসকে

বাংলাদেশে বিএনপির ডাকা অবরোধের সময় প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের উপস্থিতেতে বিশ্বজিত দাস নামের যে যুবক খুন হয়েছিলেন, তার হত্যাকারীরা ছাত্র লীগের সদস্য নয় বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব।

তিনি দাবি করছেন বিশ্বজিতের হত্যাকারীরা জামায়াত শিবিরের সদস্য।

এদিকে গত ক'দিন ধরেই এই হত্যাকারীদের গ্রেফতার নিয়েও নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ প্রেস ব্রিফিং-এ হত্যাকারীদের পরিবারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন এবং তাদের সাথে জামায়াত, শিবির এবং বিএনপির কিভাবে যোগাযোগ তা ব্যাখ্যা করেন।

এই বিতর্ক শুরু হয় যখন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ছবি সহ সংবাদমাধ্যমে খবর ছাপা হয়ে।

৯ই ডিসেম্বর অবরোধ চলাকালীন সময়ে পুরান ঢাকায় গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে কয়েকজনের হাতে নৃশংসভাবে খুন হন বিশ্বজিত দাস।

"বাংলাদেশে এরকম হত্যাকাণ্ড আরও হয়েছে কিন্তু তার বিচার হয়নি। আমরা সাধারণ মানুষ তাই কোন মামলার মধ্যে যাবনা।"

উত্তম কুমার দাস, বিশ্বজিত দাসের বড় ভাই

তাকে অবরোধের পক্ষের পিকেটার হিসেবে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রথমে জানা যায়।

এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় অনেকগুলি ক্যামেরার সামনে। হত্যাকারীদের ছবিসহ খুনের দৃশ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্ট হয়।

সংবাদমাধ্যম তাদের নিজস্ব তদন্তের পর হত্যাকারীরা ছাত্রলীগের সদস্য বলে সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকে।

সবমিলিয়ে বাংলাদেশে ক'দিন ধরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছিল।

এমন বিতর্কের পরে প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এই বক্তব্য দিলেন।

শুধুমাত্র হত্যকারীদের পরিচয়ই নয়, ক'দিন ধরে হত্যাকারীদের গ্রেফতার নিয়েও বেশ বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কতজন গ্রেফতার হয়েছে সে সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য এবং পুলিশের দেওয়া তথ্যে বেশ গরমিল দেখা গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলছেন ১১ জন গ্রেফতার হয়েছে আর পুলিশ বলছে এপর্যন্ত চারজন গ্রেফতার হওয়ার কথা।

নৃশংসভাবে মৃত্যুর পর এখন এধরনের বিতর্ক নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহত বিশ্বজিত দাসের বড় ভাই উত্তম কুমার দাস।

“বাংলাদেশে এরকম হত্যাকাণ্ড আরও হয়েছে কিন্তু তার বিচার হয়নি। আমরা সাধারণ মানুষ তাই কোন মামলার মধ্যে যাবনা। কারণ আমার বাবা মা বেশ ভয় পাচ্ছেন যদি হত্যাকারীরা তাতে ক্ষেপে যায়। তারা এক সন্তানকে হারিয়েছেন। আর কাউকে তারা হারাতে চান না,” তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন।

উত্তম কুমার দাস আরও বলেন, হত্যার ছবি যেভাবে প্রচারিত হয়েছে তাতে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর ক্ষমতা সরকারের রয়েছে।

একই ধরনের খবর

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻