BBC navigation

'সিরিয়ায় চুড়ান্ত জয় পাবে না কোনো পক্ষ'

সর্বশেষ আপডেট সোমবার, 17 ডিসেম্বর, 2012 02:10 GMT 08:10 বাংলাদেশ সময়

ইয়ারমুক ফিলিস্তিনি শিবিরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

সিরিয়ায় সরকার কিম্বা বিরোধী-কোন পক্ষই যুদ্ধে চুড়ান্ত জয় পাবে না বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট।

ফারুক আল শারা সরকারপন্থী লেবানীজ একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চলতি সঙ্কট কাটাতে সিরিয়ায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করা।

সিরিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন যখন রাজধানী দামেস্কে ফিলিস্তিনিদের একটি শিবিরে রকেট হামলায় অন্তত ১৫জন নিহত হয়েছে।

সংবাদদাতারা বলছেন, সিরিয়ায় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা এর আগে এতোটা স্পষ্ট করে স্বীকার করেননি যে তারা এই যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারবেন না। তবে সংবাদদাতারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে মি আল-শারার ব্যাপারে এর আগেও ভুল খবর প্রচার করা হয়েছে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীরা দিনের আরো আগের দিকে বলেছেন যে, সরকারি যুদ্ধবিমান দিয়ে রাজধানী দামেস্কে ফিলিস্তিনিদের একটি শরণার্থী শিবিরে রকেট হামলা চালানো হয় যাতে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ইয়ারমুক শিবিরের একটি মসজিদে কমপক্ষে দুটো রকেট আঘাত হেনেছে।

রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সাথে সরকারি বাহিনীর যুদ্ধে যারা স্থানচ্যুত হয়েছেন তারাই এই শিবিরটিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

বিদ্রোহীরা বলছেন যে এই প্রথম এই শিবিরিটিতে রকেট হামলা চালানো হলো। তবে প্রেসিডেন্ট আসাদপন্থী একজন সংসদ সদস্য শরিফ শেহাদা বলছেন যে জঙ্গিরাই এই হামলা চালিয়েছে।

অব্যাহত সহিংসতায় শরণার্থীর সংখ্যা নাটকীয় হারে বাড়তে পারে বলে জাতিসংঘের উদ্বেগ

তিনি বলেন, সিরিয়ায় আজ কোন সরকারি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে বলে তার জানা নেই। তিনি শুধু জানেন যে একটি মিলিশিয়া বাহিনী অথবা জঙ্গিদের একটি গ্রুপ মসজিদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

সিরিয়াতে আছে প্রায় ৫০ লাখের মতো ফিলিস্তিনি। তাদের কেউ প্রেসিডেন্ট আসাদ সরকারকে আবার কেউ সরকারবিরোধী বিদ্রোহীদের সমর্থন করছে।

এই ইয়ারমুক শিবিরে এর আগেও হামলা করা হয়েছে। গত অগাস্ট মাসে এরকম একটি হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত কুড়িজন।

সংবাদদাতারা বলছেন যে, রাজধানী ও তার আশেপাশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইসলামপন্থী একটি বিদ্রোহী গ্রুপ বলছে যে তারা উত্তরাঞ্চরীয় আলেপ্পো শহরের কাছে একটি সামরিক স্থাপনা দখল করে নিয়েছে।

তাওহীদ ব্রিগেডের দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে ইসলামপন্থীরা এলাকাটিকে সম্পূর্ণরুপে মুক্ত করেছে। অন্তত একশোজনকে আটক করেছে বন্দি হিসেবে। তবে নিরপেক্ষ সূত্রে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অব্যাহত এই সহিংসতার মধ্যে জাতিসংঘ হুশিয়ার করে দিয়েছে যে, এর ফলে শরণার্থীর সংখ্যা নাটকীয় হারে বেড়ে যেতে পারে যারা প্রতিবেশি দেশগুলোতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার প্রধান আম্মানে বলেছেন, সিরিয়ায় চলমান সহিংসতার ফলে জর্ডান, তুরস্ক ও লেবাননে আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তুর সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বেড়ে আগামী ৬ মাসে ১১ লাখেও দাঁড়াতে পারে।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻