BBC navigation

আযাদকে ধরতে ইন্টারপোলের সাহায্য চাইবে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট মঙ্গলবার, 22 জানুয়ারি, 2013 14:44 GMT 20:44 বাংলাদেশ সময়

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মানবতা-বিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ দেশের বাইরে পালিয়েছেন বলে সরকার নিশ্চিত হলেও তাঁর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে গোপনীয়তা বজায় রাখছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগির বিবিসিকে বলেছেন, তাঁরা নিশ্চিত যে আবুল কালাম আযাদ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তিনি কোন দেশে আছেন সেব্যাপারেও তাঁরা নিশ্চিত। তবে দেশটির নাম প্রকাশে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

‘আমরা যতদূর জানি, সে দেশের বাইরে আছে। সে কোন দেশে আশ্রয় নিয়ে আছে, সেটাও আমাদের জানা আছে। তাকে ধরার আগে দেশটির নাম আমরা প্রকাশ করবো না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আবুল কালাম আযাদকে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দেশটির সাথে যোগাযোগের পাশাপাশি ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমে এমন জল্পনা চলছে যে আবুল কালাম আযাদ ভারত হয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে গেছেন। পুলিশ যখন তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল তখন কিভাবে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেন, সেটা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, এক্ষেত্রে কোন অবহেলা করা হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

"আমরা যতদূর জানি, সে দেশের বাইরে আছে। সে কোন দেশে আশ্রয় নিয়ে আছে, সেটাও আমাদের জানা আছে। তাকে ধরার আগে দেশটির নাম আমরা প্রকাশ করবো না"

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগির

আটটি অভিযোগ

গতকালই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আবুল কালাম আযাদকে বিভিন্ন অপরাধে মৃত্যুদন্ড দেয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটকদের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে এটাই ছিল প্রথম রায়।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ সোমবার সকালে ১১২ পৃষ্ঠার এই রায় ঘোষণা করে।

আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ এবং অগ্নিসংযোগের আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল।

অপহরণের একটি ঘটনা ছাড়া অন্য অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে বলে ট্রাইব্যূনাল রায়ে উল্লেখ করে।

বাদী পক্ষের এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের সাথে সম্পৃক্ত থেকে আবুল কালাম আযাদ এই অপরাধগুলো করেছিল।

হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ এবং অগ্নিসংযোগের অপরাধসহ সার্বিক বিষয় প্রমাণ হওয়ায় আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছে।

আবুল কালাম আযাদ এই বিচার শুরু হওয়ার আগে থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতে নভেম্বর থেকে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

ফরিদপুরে স্থানীয়ভাবে 'বাচ্চু রাজাকার' নামে পরিচিত আবুল কালাম আযাদ জামায়াতে ইসলামীর রুকন ছিলেন। জামায়াত থেকে বহিস্কৃত মি: আযাদ দু’টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলাম নিয়ে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে পরিচিতি পেয়েছিলেন।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻