BBC navigation

আফগানিস্তানে নেটো বাহিনীর নতুন সর্বোচ্চ কমান্ডার

সর্বশেষ আপডেট রবিবার, 10 ফেব্রুয়ারি, 2013 13:00 GMT 19:00 বাংলাদেশ সময়
josesph dunford

জোসেফ ডানফোর্ড

আফগানিস্তানে নেটো বাহিনীর নতুন সর্বোচ্চ কমান্ডারের পদে আসীন হয়েছেন জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড।

কাবুলে এক অনুষ্ঠানে বিদায়ী জেনারেল জন অ্যালেনের কাছ থেকে দায়িত্ব হাতে নেন জেনারেল ডানফোর্ড।

তার আগে বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদায়ী জেনারেল জন অ্যালেন বলেছেন, আফগানিস্তানের লড়াইয়ে নেটোর অবস্থান ভালো হচ্ছে। কিন্তু তালেবানকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি রাজনৈতিক সমেঝাতার সম্ভাবনা কতটা - তা নিয়ে কথা বলার সময় জন অ্যালেনেক অনেকটা সতর্ক বলে মনে হয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন সম্প্রতি বলেছেন যে ছয় মাসের মধ্যেই একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

আফগানিস্তানে তালেবানবিরোধী লড়াইয়ে নেটোর নতুন অধিনায়ক জোসেফ ডানফোর্ড মার্কিন মেরিন কোর থেকে আসা একজন জেনারেল।

"কোয়ালিশনের সংকল্পে, শৃঙ্খলায়, চেতনায় কোন পরিবর্তন হচ্ছে না, আমাদের মিশনে সফল হবার যে অঙ্গীকার তাতেও কোন পরিবর্তন হচ্ছে না।"

জেনারেল ডানফোর্ড, নবনিযুক্ত নেটো কমান্ডার

আগামি বছরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে বেশির ভাগ মার্কিন সৈন্যই প্রত্যাহার করে নেয়া হবে এবং জেনারেল ডানফোর্ডই তার তত্ত্বাবধান করবেন। দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতায় জেনারেল ডানফোর্ড বলছেন, তাদের নেতৃত্বে পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু মূল কথা হচ্ছে ধারাবাহিকতা।

''কোয়ালিশনের সংকল্পে, শৃঙ্খলায়, চেতনায় কোন পরিবর্তন হচ্ছে না, আমাদের মিশনে সফল হবার যে অঙ্গীকার তাতেও কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। আমাদের সাফল্য অবধারিত এবং এক্ষেত্রেও কোন পরিবর্তন আসছে না।''

বিদেশে মার্কিন বাহিনীর চালানো দীর্ঘতম এই যুদ্ধে এতদিন যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন - সেই বিদায়ী জেনারেল জন অ্যালেন যাবার আগে দাবি করছেন, লড়াইয়ে নেটোর অবস্থান এখন আগের চাইতে ভালো হচ্ছে এবং নেটো এখন আফগানিস্তানের যুদ্ধে জয়লাভ করার পথে রয়েছে।

''যে কোন বিদ্রোহ দমন অভিযানে বিজয়ী হবার জন্য যেসব পূর্বশর্ত দরকার তা পূরণের পথে আমরা অনেক দূর এগিয়ে এসেছি। এর প্রশাসনিক, সামরিক এবং অর্থনৈতিক তিনটি দিকই রয়েছে। বিদ্রোহী তৎপরতা চলতে থাকলে এগুলো অর্জন করতে সময় লাগে।''

তিনি বলেছেন আফগানিস্তানে এই ৩ লাখ ৫২ হাজার সৈন্য অনেক ক্ষেত্রেই সাফল্য পেয়েছে। তবে তিনি বলেছেন আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে, আরো অনেক কাজ করতে হবে। আফগান প্রশাসন এবং আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলতে সময় লাগবে। শেষ পর্যন্ত এগুলোই দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা এবং বিদ্রোহের বিরুদ্ধে বিজয় এনে দেবে, সেনাবাহিনী নয় এবং নেটো জয়ের পথেই আছে বলে মন্তব্য করেছেন জন অ্যালেন।

কিন্তু সামরিক ক্ষেত্রে তাঁর মূল্যায়ন যাই হোক, রাজনৈতিক অগ্রগতি কতটা হয়েছে তা নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে জেনারেল অ্যালেনকে অনেক বেশি সতর্ক মনে হয়েছে।

কিছুদিন আগেই ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন - লন্ডনে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এবং আফগান প্রেসিডেন্ট হামদি কারজাইকে নিয়ে - একটি ত্রিপক্ষীয় শীর্ষবৈঠক করেছেন।

সেখানে তিন পক্ষই একমত হয়েছে যে আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি অত্যন্ত জরুরি প্রক্রিয়া। তারা নিজেরাই ছ'মাসের মধ্যে তালেবানের সাথে আলোচনা শুরু এবং একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

কিন্তু জেনারেল অ্যালেনের কথা শুনে মনে হয়েছে তিনি এ ব্যাপারে খুব একটা নিশ্চিত নন।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻