BBC navigation

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের সংশোধনী পাশ

সর্বশেষ আপডেট রবিবার, 17 ফেব্রুয়ারি, 2013 15:02 GMT 21:02 বাংলাদেশ সময়
ICT

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

বাংলাদেশে ৭১-এর যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩-এর সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে।

এতে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির পাশাপাশি যে কোনো দল বা সংগঠনের বিচারের সুযোগও রাখা হয়েছে।

একইসঙ্গে ট্রাইব্যুনালের যেকোনো রায়ের বিরুদ্ধে আসামির পাশাপাশি সরকারেরও আপিলের সমান সুযোগ রাখা হয়েছে সংশোধিত আইনে।

সেইসাথে নতুন যে বিষয়টি আইনে এসেছে তা হলো, একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আছে এমন যে কোনো দল বা সংগঠনকে বিচারের আওতা আনা যাবে।

বিলটি পাশের পর আইনমন্ত্রী মি: আহমেদ বিবিসিকে বলেছেন, ''আল শামস আল বদর এবং জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে অভিযোগ পেলে তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে।''

"আল শামস আল বদর এবং জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে অভিযোগ পেলে তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে।"

শফিক আহমেদ, আইনমন্ত্রী

জাতীয় সংসদের রোববারের অধিবেশন শুরুর কিছূ পরেই আইন মন্ত্রী শফিক আহমেদ আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের বিলটি পাশের জন্য উত্থাপন করেন।

এরপর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন এতে দুটি সংশোধনীর প্রস্তাব দেন । তিনি বলেন, “ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।''

তিনি উল্লেখ করেন যে, বাচ্চু রাজাকারের রায়ে বলা হয়েছিল, জামায়াত কীভাবে অপরাধকাজে সংযুক্ত ছিল।

এরপর স্পিকার এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইনমন্ত্রী বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাৎসিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিলো। মাননীয় সংসদ সদস্য যে সংশোধনী প্রস্তাব রেখেছেন তা গ্রহণ করা যায়।”

এরপর এই সংশোধনী প্রস্তাবসহ বিলটি কণ্ঠভোটে পাশ হয়।

"ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।"

রাশেদ খান মেনন, ওয়ার্কাস পার্টি সভাপতি

এখন রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলেই সংশোধিত এই আইনটি কার্যকর হয়ে যাবে ।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনে ২০০৯ সালে প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছিল।

গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি এই বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয় এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বিলের ওপর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হয়।

বিলে বিদ্যমান আইনের ২১ ধারার পরিবর্তে নতুন ২১ ধারা প্রতিস্থাপনের বিধান করা হয়েছে। নতুন ধারার ১ উপধারায় বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইনের ৩ ধারায় উল্লেখিত অপরাধে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক খালাস আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যাবে।

নতুন ২১ ধারার ২ উপধারায় বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের খালাস আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে সরকার অথবা অভিযোগকারী অথবা তথ্য প্রদানকারী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

ওয়ার্কাস পার্টির রাশেদ খান মেনন বিলের ওপর দু’টি সংশোধনী আনলে তা গৃহীত হয়।

একই ধরনের খবর

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻