BBC navigation

বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়ের পর চলছে জরুরী ত্রাণের উদ্যোগ

সর্বশেষ আপডেট বৃহষ্পতিবার, 16 মে, 2013 12:43 GMT 18:43 বাংলাদেশ সময়

ঘূর্ণিঝড়ে কক্সবাজারে উপড়ে গেছে অনেক গাছ

বাংলাদেশে সামুদ্রিক ঝড় মহাসেনের আঘাতের পর এখন ক্ষয়-ক্ষতির হিসাব চলছে। চলছে জরুরী ত্রাণের উদ্যোগ।

প্রাণহানি তেমন না হলেও, উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ঘরবাড়ি ভেঙ্গেছে। ভারি বৃষ্টির কারণে উপকুলীয় এলাকায় ফসল ও মাছের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র পেতে সপ্তাহখানেক সময় লাগবে।

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর এ পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে।

সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে বরগুণা জেলায় সাত জন, ভোলায় তিন জন এবং পটুয়াখালিতে দুজন নিহত হন।

এদের বেশিরভাগই ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া বাড়ী-ঘর বা গাছ চাপা পড়ে মারা গেছেন।

বঙ্গোপসাগরের ঘুর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ বৃহস্পতিবার ভোরে বাংলাদেশের পটুয়াখালির খেপুপাড়া উপকুলে প্রথম আঘাত হানে। আবহাওয়া দফতর জানায়, এরপর এটি দুর্বল হয়ে এখন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দিকে সরে যাচ্ছে।

আবহাওয়া বিভাগের পরিচালক শাহ আলম বিবিসিকে জানান, ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার সময় সাগরে ভাটা থাকায় ঝড়ের প্রভাবে কোন জলোচ্ছ্বাস হয়নি। এছাড়া ঘুর্ণিঝড়টিও যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

cyclone warning

কক্সবাজারে মাইকের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে

তিনি জানান, গতকাল ঘুর্ণিঝড়টির গতিপথ দেখে মনে হচ্ছিল কক্সবাজার উপকুলের দিকেই এটি আঘাত হানতে পারে। কিন্তু পরে এর পথ ঘুরে যায় এবং পটুয়াখালির খেপুপাড়াতেই এটি প্রথম আঘাত করে।

এর পর এটি স্থলভাগের ওপর দিয়ে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। সীতাকুন্ডের ওপর দিয়ে ফেনী এবং খাগড়াছড়ি হয়ে এটি এখন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার দিকে যাচ্ছে।

আবহাওয়া বিভাগের পরিচালক শাহ আলম আরও জানান, ঘুর্ণিঝড়টি যখন বাংলাদেশের স্থলভাগে এসে পৌঁছায় তখন যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়েছিল। ফলে এতে সেরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে খেপুপাড়ায় বাতাসের গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার।

বেশ কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চল দুই ফুট উচ্চতার পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর দিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঝড়ের কারণে দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোর বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

ঘুর্ণিঝড় মহাসেনের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে এমন আশংকায় বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকার নীচু অঞ্চল থেকে প্রায় দশ লক্ষ মানুষকে ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।

চট্টগ্রামের সমূদ্র এবং বিমান বন্দরও বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

ঘুর্ণিঝড়ের বিপদ কেটে গেলেও এখনো পর্যন্ত সমূদ্র এবং বিমান বন্দর বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

Mahasen cyclone path

একই ধরনের খবর

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻