মিশরে নতুন করে সংঘাতে নিহত ৫০জন

  • ৭ অক্টোবর ২০১৩

মিসরে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোরসির সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত এবং অন্তত ২৪০জন মানুষ আহত হয়েছে।

Image caption সংঘর্ষ কায়রোর অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়।

এঘটনার পর কায়রো থেকে মুসলিম ব্রাদারহুডের ২০০ ‘র বেশি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

কায়রোর তাহ্‌রীর স্কয়ারে ইসরায়েল যুদ্ধের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানস্থলে মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকেরাও একটি সমাবেশ আহ্বান করলে সেখানে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়, যদিও সেনাবাহিনী পরে তাদের হটিয়ে দেয়।

সেসময় মোরসি সমর্থকেরা ঢোল বাজিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে ঐ স্থানে ঢোকার চেষ্টা করে। তারা জেনারেল সিসিকে হত্যাকারী বলে স্লোগান দিতে থাকে।

এরপর সংঘর্ষ কায়রোর অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

কায়রোতে সংঘর্ষের পর মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা শহরের অন্যান্য অংশে এবং আলেকজান্দ্রিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করে। ঐসব স্থানেও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সাথে তাদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

সেসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছোড়ে এবং ফাঁকা গুলি করে। আর এতে মুখোমুখি সংঘর্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়।

মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনীর এমন আক্রমণাত্মক আচরণের তীব্র নিন্দা জানান।

তারেক নামে মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন কর্মী যিনি সেনাবাহিনীর একজন রিজার্ভ অফিসার ছিলেন তিনি বলছিলেন, ‘সেখানে যা করা হয়েছে তা সেনাবাহিনীর নীতির মধ্যে পড়েনা। মিসরের সেনাবাহিনী অন্যদেশের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়বে, কিন্তু নিজের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কেন লড়বে তারা?’

অন্যদিকে, দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।

গত জুলাইতে মিসরের সেনাবাহিনী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোরসিকে হটিয়ে দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করে।

এই খবর নিয়ে আরো তথ্য