টেস্ট খেলা নিয়ে আর শঙ্কা নেই: বিসিবি

ছবির কপিরাইট focusbangla
Image caption বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি বলছে টেস্ট খেলা নিয়ে বাংলাদেশের আপাতত আর কোন শঙ্কা নেই।

দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল—আইসিসি’র সভা শেষে দেশে ফিরে বিসিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টেস্ট খেলা নিয়ে বাংলাদেশের আপাতত আর কোন শঙ্কা নেই। তবে, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ যাতে আরও বেশি করে টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারে সে ব্যাপারে কাজ করছে বিসিবি।

এদিকে, ২০১২ সালেই ২০২০ সাল পর্যন্ত ফিউচার ট্যুর প্লান বা কোন দেশ কোন দেশের সাথে খেলবে সেটি চূড়ান্ত হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ যাতে আরও বেশি করে টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারে, সে ব্যাপারটি নিয়ে দুবাইতে আইসিসি’র সভার বাইরে কয়েকটি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেছেন তারা।

ফলে এখন ২০১২ সালে চূড়ান্ত হওয়া ফিউচার ট্যুর প্লান বা এফটিপি’র সূচীর মধ্য থেকে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সময়সূচী দেখে আলোচনার মাধ্যমে নতুন করে ট্যুর প্ল্যান করার চেষ্টা চালাবে বিসিবি।

বিসিবি’র মুখপাত্র জালাল ইউনুস বলেছেন আইসিসি জানিয়েছে যারা এফটিপিতে জায়গা পায়নি তাদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে সুযোগ করা হবে।

“আইসিসি নীতিগতভাবে এ বিষয়ে একমত হয়েছে। এখন এ বিষয়ে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সময়সূচী দেখে স্লট বের করে ঠিক করতে হবে ঐসব দেশ আমাদের এখানে এসে খেলবে বা তাদের দেশে গিয়ে আমরা খেলব।”

এদিকে, টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর খুব কমই টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ।

বিশেষ করে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মত বড় দলগুলোর সঙ্গে।

টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর প্রথম টেস্টটি ভারতের সঙ্গে খেললেও এরপর আর দেশটির সঙ্গে কোন সিরিজ খেলেনি বাংলাদেশ। আর গত বছরে ইংল্যান্ডের সঙ্গেও মাত্র একবারই খেলেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রকিবুল হাসান বলছেন এ ব্যাপারে এফটিপি’র প্রক্রিয়া যেমন ভূমিকা রেখেছে, তেমনি ক্রিকেটীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশের দুর্বলতাও কিছুটা দায়ী।

“এটা ঠিক যে বাংলাদেশের ক্রিকেটের মান এখনো ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মত নয় যে তারা আমাদের ডাকবে। ফলে হয়ত সেকারণেই এফটিপি তৈরির সময় আইসিসিকে এ ব্যাপারে কোন গাইডলাইন দেয়া যায়নি।”

“তবে, একই সাথে এটাও ঠিক যে ক্রিকেটীয় কূটনীতিতে আমরা ভালো ভালো করতে পারলে হয়ত আরও কিছু ট্যুর আমরা পেতাম।”

মি. ইউনুস বলেন বর্তমানে র‍্যাংকিং এ নিচের দিকে অবস্থান এমন দেশগুলো, যেমন বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে অনেক কম টেস্ট খেলছে, আর এই বিষয়টি বিসিবি’র সভাপতি আইসিসি’র সভায় উত্থাপন করেছেন। সামনের মাসের ৮ তারিখে এ ব্যাপারে আরো আলোচনা হবে বলেও জানান মি. ইউনুস।